অসময়ে আপেল খেলে কী হয়?

স্বাস্থ্য ডেস্ক: কথায় বলে- সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। সময়ের কাজ সময়ে করাই উত্তম। আর তা না করতে পারলে অসময়ে শত চেষ্টা করেও সময়ের সঙ্গে তাল মেলানো যায় না।

জীবন গঠনে কিংবা কর্মক্ষেত্রে যেমন ঠিক একইভাবে খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রেও সময় ও নিয়ম মেনে চলা জরুরি। আপনি অনেক ভালো ভালো খাবার খাচ্ছেন, কিন্তু সেগুলো সময় মতো খাচ্ছেন না। তাহলে উপকারের পরিবর্তে অনেক সময় ক্ষতিও হতে পারে।

আমরা যারা স্বাস্থ্য সচেতন এবং যাদের সাধ্য আছে, অনেকেই শরীরের লাবণ্য ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে ফলমূল খাই। এর মধ্যে আপেল অন্যতম।

আয়ুর্বেশ শাস্ত্রের মতে, সময় বুঝে আপেল খেতে পারলে প্রচুর পুষ্টি পাওয়া যায়। আপেলের জৈব অ্যাসিড পাকস্থলির অ্যাসিডকে সাধারণের তুলনায় বাড়িয়ে তোলে ও অন্ত্রের ক্রিয়ায় সাহায্য করে।

খাদ্যপুষ্টি-বিষয়ক ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, প্রতিদিন সকালে একটা আপেল খেতে পারলে অনেক রোগবালাই থেকেই মুক্ত থাকা যায়। সকাল বেলা আপেল খাওয়ার উপযুক্ত সময়। কারণ, আপেলের খোসা আঁশ ও পেকটিন সমৃদ্ধ।

অনেকেরই পর্যাপ্ত ঘুম হয় না, দেরিতে ঘুম ভাঙে কিংবা হজমে সমস্যা হয়। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে একটা আপেল খেতে পারলে খুবই উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়া দুপুরের খাবার খাওয়ার আগে নাস্তা হিসেবে আপেল খেলে পুষ্টি সরবরাহে, ওজন কমাতে, ত্বক ভালো রাখতে ও হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

আপেলে থাকা পেকটিন ল্যাক্টিক অ্যাসিড সুরক্ষিত রাখতে ও কোলনে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি সাহায্যের পাশাপাশি পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে এই পেকটিন টক্সিনের পরিমাণ কমানো ও ক্যান্সারের জীবাণু সৃষ্টি থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: স্বাস্থ্য