অস্থায়ী এমপিও হচ্ছে ১৭৬৩ স্কুল-কলেজ, পরিপত্র জারি আজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার পরিপত্র জারি করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) এ পরিপত্র জারি হতে পারে। এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন। এবার সারা দেশের ১ হাজার ৭৬৩টি স্কুল ও কলেজ এ এমপিওভুক্তির তালিকায় স্থান পাচ্ছে। তবে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, গেল রবিবার প্রধানমন্ত্রী এমপিওভুক্তির নথিতে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। সোমবার মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে নথি।

সূত্র জানায়, এবার বেসরকারি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্তসাপেক্ষে এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কিছু শর্ত সাপেক্ষে আগামী ৩ বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে তা করা হচ্ছে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে ওইসব প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি স্থগিত হয়ে যাবে।

শর্তাবলির অন্যতম হলো, এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিটিকে পাবলিক পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর কমপক্ষে ৭০ শতাংশ পাস করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ওই বছরই সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি স্থগিত হয়ে যাবে। তবে ভবিষ্যতে ভালো ফল করতে পারলে ফের তা চালু হবে।

পরিপত্রে শর্তাবলির মধ্যে আরও রয়েছে- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে একটি ক্লাসরুমকে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম হিসেবে তৈরি করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগার হতে হবে ভালো মানের।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এমপিও একবার হতে পারলে সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্যে পাঠদানের ব্যাপারে এক ধরনের গাছাড়া ভাব চলে আসে। সে কারণে এবার শর্তসাপেক্ষে এমপিওভুক্তি দেয়া হচ্ছে।

এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ধরন অনুসারে আলাদা আলাদা পরিপত্র জারি করা হবে। এবার নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আলাদা আলাদা পরিপত্র জারি করা হচ্ছে।

এমপিওভুক্তির দায়িত্বে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ এখনও এ ব্যাপারে কিছু জানাননি।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৮৬৫ কোটি টাকা। ১ হাজার ৭৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলে তাতে ব্যয় হবে ৭৯৬ কোটি ৪৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। বাকি ৬৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা মন্ত্রণালয়ের হাতে উদ্বৃত্ত থাকবে।
নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার পরিপত্র জারি করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) এ পরিপত্র জারি হতে পারে। এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, গেল রবিবার প্রধানমন্ত্রী এমপিওভুক্তির নথিতে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। সোমবার মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে নথি।
এবার সারা দেশের ১ হাজার ৭৬৩টি স্কুল ও কলেজ এ এমপিওভুক্তির তালিকায় স্থান পাচ্ছে। তবে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়।

সূত্র জানায়, এবার বেসরকারি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্তসাপেক্ষে এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কিছু শর্ত সাপেক্ষে আগামী ৩ বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে তা করা হচ্ছে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে ওইসব প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি স্থগিত হয়ে যাবে।

শর্তাবলির অন্যতম হলো, এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিটিকে পাবলিক পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর কমপক্ষে ৭০ শতাংশ পাস করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ওই বছরই সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি স্থগিত হয়ে যাবে। তবে ভবিষ্যতে ভালো ফল করতে পারলে ফের তা চালু হবে।

পরিপত্রে শর্তাবলির মধ্যে আরও রয়েছে- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে একটি ক্লাসরুমকে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম হিসেবে তৈরি করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগার হতে হবে ভালো মানের।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এমপিও একবার হতে পারলে সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্যে পাঠদানের ব্যাপারে এক ধরনের গাছাড়া ভাব চলে আসে। সে কারণে এবার শর্তসাপেক্ষে এমপিওভুক্তি দেয়া হচ্ছে।

এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ধরন অনুসারে আলাদা আলাদা পরিপত্র জারি করা হবে। এবার নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আলাদা আলাদা পরিপত্র জারি করা হচ্ছে।

এমপিওভুক্তির দায়িত্বে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ এখনও এ ব্যাপারে কিছু জানাননি।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৮৬৫ কোটি টাকা। ১ হাজার ৭৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলে তাতে ব্যয় হবে ৭৯৬ কোটি ৪৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। বাকি ৬৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা মন্ত্রণালয়ের হাতে উদ্বৃত্ত থাকবে।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: শিক্ষাঙ্গান