নির্বাচিত খবর

অ্যাকোস্টার পাস ফিরিয়ে দিতে হোয়াইট হাউসকে নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন- এর সাংবাদিকের সাথে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অসাংবিধানিক আচরণ করেছেন অভিযোগে ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমটি যে মামলা করেছিলো সেটির রায় দেওয়া হয়েছে। রায়ে সিএনএন’র হোয়াইট হাউজ বিষয়ক প্রধান প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টার প্রেস পাস ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত।

বিচারক টিমোথি জে. কেলির দেওয়া শুক্রবারের (১৬ নভেম্বর) এই নির্দেশের মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার শীর্ষ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মামলায় প্রাথমিক জয় পেলো সিএনএন।তবে বিচারক কেলি শুক্রবার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় দেননি।
অ্যাকোস্টার নিষেধাজ্ঞা বাতিলে সাময়িক স্থগিতাদেশের জন্য সিএনএনের আবেদনে সায় দিয়েছেন। এই নির্দেশের ফলে অ্যাকোস্টা হোয়াইট হাউসে আগামী কিছুদিনের জন্য পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য প্রবেশ করতে পারবেন।

রায়ের পর অ্যাকোস্টা হোয়াইট হাউস থেকে তার পাস সংগ্রহ করেছেন।

এদিকে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের জন্য ‘নিয়মনীতি’ নির্ধারণ করবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের অবশ্যই হোয়াইট হাউসে ‘শালীনতা’ বজায় রাখতে হবে।

গত ৭ নভেম্বর (বুধবার) আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এতে উপস্থিত হয়ে সিএনএন’র হোয়াইট হাউজ বিষয়ক প্রধান প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টা অভিবাসী ইস্যুতে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন। এ প্রশ্ন থেকেই দুজনের মধ্যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

একপর্যায়ে অ্যাকোস্টার কাছ থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের কর্মীদের নির্দেশ দেন। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাকে ওই সংবাদ সম্মেলন থেকে বের করে দেন এবং হোয়াইট হাউজে তার প্রবেশাধিকার কেড়ে নেন।

সেই ইস্যু ধরে স্থানীয় সময় সোমবার দেশটির রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির একটি আদালতে মামলাটি করা হয়। মামলায় অভিযুক্ত করা হয় ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও। এরা হলেন-হোয়াইট হাউসের চিফ স্টাফ জন কেলি, প্রেস সচিব সারাহ স্যান্ডার্স, ডেপুটি চিফ স্টাফ ফর কমিউনিকেশন বিল সাইন, সিক্রেট সার্ভিস ডাইরেক্টর জোশেফ ক্লাঙ্কি ও সিক্রেট সার্ভিস অফিসার জন ডোয়ের।

মামলায় বলা হয়, গত সপ্তাহে প্রেস পাস স্থগিত করে ট্রাম্প প্রশাসন গণমাধ্যম আইন লঙ্ঘন করেছে। আজ সিএনএন ও অ্যাকোস্টার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যে কারও ওপর এই ব্যবস্থা নিতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন।

বিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: আন্তর্জাতিক