কাঠালিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১০টি দোকন পুড়ে অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

mail.google.comনজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি : ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া বাজারে গভির রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত অনুমান ২:০০ টার দিকে আওরাবুনিয়া বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ১০ টি দোকান সম্পুর্ন পুড়ে যায় এতে  প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানাযায়। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী, স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটানস্থলে ছুটে এসে ঘন্টাব্যপি পর আগুন নিভাতে সক্ষাম হয়। ঘটনার পরপরই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডাঃ শরীফ মুহম্মদ ফয়েজুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলেন এবং রাতেই তিনি ঘটনাটি নিয়ে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক, এর সাথে আলোচনা করেন। প্রত্যাক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্থরা জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত অনুমান ২:০০ টার দিকে বাজারের প্রানকেন্দ্রে কবিরে কাপড়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেলে ঘন্টাব্যাপী অগ্নিকান্ডে দশটি দোকান সম্পুর্ন পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করেছে স্থানীয়রা। আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যতিক সটসার্কিট হয়ে ঘটেছে বলে ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী ধারনা করেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডাঃ শরীফ মুহম্মদ ফয়েজুল আলম বলেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের বিধিমোতাবেক যথাসাধ্য সহায়তা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের এক্সরে মেশিনটি বিকল ॥ রোগীদের ভোগান্তি
মো:নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি:: ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের এক্সরে মেশিনটি ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে বিকল হয়ে রয়েছে। এতে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগীদের। উপায়হীন হয়ে সরকার নির্ধারিত ফি’র ৫ গুণেরও বেশি টাকা দিয়ে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে এক্সরে করাতে হচ্ছে রোগীদের। প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করা এক্সরে রিপোর্টে ভুল থাকায় এ নিয়ে বিপাকে পড়ছেন রোগীরা। সদর হাসপাতালের এক্সরে অপারেটর দিলীপ জানান, প্রতিদিন গড়ে ১৫ জন রোগী সরকার নির্ধারিত ফি ৭০ টাকা দিয়ে এক্সরে করায়। ২১ জুলাই মেশিনটি বিকল হয়ে যায়। বিষয়টি সিভিল সার্জন মহোদয়কে অবহিত করা হলে তিনি মেশিনটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বরাবরে লিখিতভাবে অবহিত করেন। এখন পর্যন্ত মেশিনটি সংস্কার বা মেরামত না করায় রোগীর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাহির থেকে ৪০০ টাকায় এক্সরে করাতে হচ্ছে।
ভূক্তভোগী রোগী গৌতম মৃধা জানান, পড়ে গিয়ে ডান হাতের কনুতে ব্যাথা পেয়েছি। হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসককে দেখালে তিনি এক্সরে করতে দেন। হাসপাতালের এক্সরে মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালের সামনেই মমতাজ ডায়াগনস্টিকে ৪০০ টাকা দিয়ে এক্সরে করাই। এক্সরে কাগজ ও রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় চিকিৎসকের কাছে তিনি রিপোর্ট  দেখে ওষুধ দেন এবং হাতটি গলায় ঝুলিয়ে রাখতে পরামর্শ দেন। ১০/১২ দিন অতিবাহিত হলে ব্যাথা না কমায় সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাঃ দীপক চন্দ্র কীর্তনীয়াকে পুনরায় দেখাই। তিনি এক্সরে রিপোর্ট না দেখে সরাসরি কাগজটি দেখতে চান। কাগজটি দেখে তিনি হাতের ৩ টি স্থানে ফ্যাকচার হয়েছে বলে ব্যান্ডেজ করতে দেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে রোগীরা বলেন, হাসপাতালের এনালগ এক্সরে মেশিন চালু থাকতে চিকিৎসকরা ডিজিটাল এক্সরে মেশিনে চেক করানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু বিকল হবার পরে আর ডিজিটালের নির্দেশনা না দিয়ে সরকারীভাবেই এক্সরে করানোর পরামর্শ দিতেন। ১ মাসের বেশি সময়ে বিকল এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ২২/২৫ জন রোগীকে সরকারী এক্সরে করানোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
সিভিল সার্জন ডাঃ আঃ রহিম জানান, এক্সরে মেশিনের বিকল অবস্থা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল দপ্তরকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সংস্কার বা মেরামতের কাজ প্রায় শেষ। আশা করি আগামী সপ্তাহে এক্সরে মেশিন আসবে। সেই সাথে ডিজিটাল এক্সরে মেশিন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: অন্যান্য,বরিশাল,সারাদেশ