খ্যাতিতে অতীত হয়েছে পূজার আনন্দ

বিনোদন ডেস্ক: আবার বছর ঘুরে এসেছে সতাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা।  পূজাকে ঘিরে অনেকের অনেক স্মৃতিই রয়েছে। ছোট বেলার পূজা গুলোকে অনেকেই আবার মিস করেন। সাধারণ মানুষের মতো তারকারা এর বাহিরে নয়।

দেশীয় শোবিজের বেশ কয়েকজন তারকা তাদের পূজার স্মতিগুলো রোমন্থন করেছেন।

কুমার বিশ্বজিৎ

পূজার আনন্দ এখন আর মণ্ডপে গিয়ে সেভাবে করা হয়ে ওঠে না। তবে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ছিল ঢাক বাজানোর প্রতি। বড় ধরনের দুর্বলতা কাজ করত। পূজার ঢাক, মেয়েদের নূপুরের শব্দ আমার সংগীত জীবনের বড় প্রভাব। আমার বেশির ভাগ গানে ঢাক-ঢোল রাখার চেষ্টা করি।

চঞ্চল চৌধুরী

যখন পূজাটা উপভোগ করতাম, তখন অনেক ছোট ছিলাম। নতুন পোশাকের আনন্দ ছিল। সারা বছর অপেক্ষা করতাম পূজার জন্য, নতুন পোশাক পাব বলে। বারবার দর্জির দোকানে যেতাম। রীতিমতো দোকানদারও বিরক্ত হতেন। তারপরও যেতাম কারণ বছরে একবার নতুন পোশাক পাওয়া খুবই আনন্দের বিষয় ছিল।

বিদ্যা সিনহা মিম

পূজার স্মৃতির কথা বলতে হলে অবশ্যই বলতে হবে ছোটবেলার পূজার কথা। তখন তো অনেক আনন্দ হতো। পূজায় মামা বাড়ির যাওয়ার অপেক্ষায় থাকতাম। মামা বাড়ি পূজার আনন্দ একটু অন্যরকম হতো। পূজা মানেই সকল বেলা উঠে অঞ্জলী দেওয়া। সারা দিন নতুন পোশাক পরে ঘুরে বেড়ানো এবং সবাই মিলে খুব মজা করা। এবার রাজশাহী পূজা করব। আগে পূজার সময় মণ্ডপে ঘুরতাম, কেউ তেমন একটা চিনতো না। কিন্তু এখন সবাই চেনে।

অপর্ণা ঘোষ

ছোটবেলা ছাড়া স্মরণীয় পূজা আসলে নেই। সে সময়টাতেই পূজা বেশি উপভোগ করতাম। বড় হবার পর পূজায় মজা পাই না। আর ঢাকায় পূজার রেশ খুঁজেও পাই না। চট্রগ্রামের পূজা খুব ইনজয় করতাম। সেখানকার পূজা এখনো অনেক মিস করি।

পূজা চেরি

পূজা এলে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। পূজায় নতুন জামাকাপড় আমার চাই-ই চাই। এবারো অনেক পোশাক কিনেছি। ঢাকার হাজারীবাগে বেড়ে ওঠা। ধুলোমাখা শৈশবের দিনগুলো ওই মাটিতেই কেটেছে। ছোটবেলায় তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজারসহ পুরান ঢাকার অনেক মন্দিরে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করেছি। এখন সেই সময়গুলো খুব মিস করি।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: বিনোদন