নির্বাচিত খবর

ঘরোয়া পদ্ধতিতেই চুল হবে খুশকিমুক্ত

লাইফস্টাইল ডেস্ক: সবার চুলেই কম বেশি খুশকি থাকে। অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রসাধনী কিংবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চুলকে খুশকিমুক্ত করতে পারেন না। আবার অনেকেই আছেন, নিজস্ব সচেতনতা ও পরিচর্যায় চুল রাখেন ঝরঝরে খুশকিমুক্ত।

সাধারণত, চুলে ময়লা, ফাঙ্গাস কিংবা পুষ্টির অভাবে খুশকি হয়ে থাকে। অনেকেই আবার শুষ্ক ত্বক, তৈলাক্ত ত্বক, খাদ্যাভ্যাস, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও হতাশাকেও খুশকির কারণ বলে মনে করেন।

কিন্তু কিভাবে এই খুশকির হাত থেকে চুলকে সুরক্ষিত রাখবেন? বিষয়ে কিছু পদ্ধতি তুলে ধরা হলো-

* গ্রিন টি: এক কাপ ফুটন্ত গ্রিন টিয়ের মধ্যে দু-তিন ফোঁটা পিপারমিনট এসেন্সিয়াল তেল মেশান। সঙ্গে এক টেবিল-চামচ সাদা ভিনিগার মিশিয়ে ঠান্ডা করুন। এর পর পানি দিয়ে চুল ভিজিয়ে গ্রিন টিয়ের মিশ্রণটি মাথায় মাথায় লাগান। কিছুক্ষণ মাথার ত্বক মালিশ করার পর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন।

* নিয়মিত আঁচড়ানো: অনেকেই দিনে একবার বড় জোর দুবার চুল আঁচড়ান। কিন্তু চুল যত কম আঁচড়াবেন খুশকি হওয়ার ঝুঁকি তত বেশি থাকবে। নিয়মিত চুল আঁচড়ালে চুলের বৃদ্ধিও ঘটে।

* সঠিক শ্যাম্পু: চুল খুশকিমুক্ত রাখতে বুঝেশুনে শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। শ্যাম্পুতে জিঙ্ক প্যারিথিয়ন আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। শ্যাম্পু করার পর চুল ভালোভাবে ধুতে হবে।

* পরিচ্ছন্নতা: চুল যত বেশি পরিষ্কার থাকবে খুশকি হওয়ার ঝুঁকি তত কম থাকবে। কারণ ময়লা চুলেই খুশকি দানা বাঁধে।

* তেল ব্যবহার: চুলকে খুশকির হাত থেকে নিরাপদে রাখতে নিয়মিত তেল ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে সরিষার তেল খুবই কার্যকরী।

* নিমপাতার প্রতিষেধক: হালকা গরম পানিতে দুমুঠো নিমপাতা রাতভর ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে সেই পানি দিয়ে মাথার চুল ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে নিমপাতা বেটেও মাথায় লাগাতে পারেন।

* লেবুর রস: চুল খুশকিমুক্ত রাখতে লেবুর রস খুবই উপকারী। দুই টেবিল-চামচ তাজা লেবুর রস নিয়ে তা মাথার ত্বকে মালিশ করুন ও এক মিনিট অপেক্ষা করুন। এক মিনিট পর এক চা-চামচ লেবুর রস এক কাপ পানিতে মিশিয়ে পুরো চুলে ভিজিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

টক দই: অল্প পরিমাণ টক দই গাজানো বা ফার্মেন্টেশনের জন্য দু-একদিন খুলে রেখে সেটা গোসলের ঘণ্টাখানেক আগে মাথার ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর হালকা কোনও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে দিন।

এরকম নানা পদ্ধতি অবলম্বন করার পরও যদি আপনার চুল খুশকিমুক্ত না হয় তবে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: লাইফস্টাইল