চিকিৎসায় খালেদা জিয়া ‘সন্তুষ্ট’, দাবি বিএসএমএমইউ’র

বিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম : কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা ঠিক মতো চলছে না— পরিবার ও বিএনপির এমন দাবি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে মাহবুবুল হক। তার দাবি- ‘তাদের চিকিৎসায় খালেদা জিয়া নিজেই সন্তুষ্ট আছেন।’

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও দলের দাবির জবাবে সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএসএমএমইউ পরিচালক। সেখানে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা তুলে ধরা হয়।

ডা. এ কে মাহবুবুল হক বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার অনুমতি না মেলায় কেবিনের বাহির থেকে ফিরে যেতে হয়েছে চিকিৎসকদের। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ঠিকভাবেই চলছে, পরিবারের অভিযোগ সঠিক নয়।’

হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ‘খালেদা জিয়া ৭ মাস ধরে এখানে ভর্তি রয়েছেন। ওনার শারীরিক অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি। বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি আছে। আবার কিছু কিছু থেকে স্থিতিশীল রয়েছে।’

পরিবার ও দলের দাবির জবাবে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে তার পরিবার সদস্য ও রাজনৈতিক দলের নেতারা যে সব বক্তব্য দিচ্ছেন, আমরা মনে করি তারা চিকিৎসক দলের সঙ্গে পরামর্শ না করে এ সব বক্তব্য দিচ্ছেন। তারা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে মনগড়া বক্তব্য দিচ্ছেন। এখানে যে চিকিৎসা চলছে তাতে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সন্তুষ্ট।’

বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা.এ কে মাহবুবুল হক বলেন, ‘আমরা এতোদিন একটি বিষয় বলতে চাইনি কিন্তু বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এমন কিছু সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে যে কারণে এখন বলতে হচ্ছে, আমাদের অফিস টাইম সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটি পর্যন্ত। অধ্যাপকরা রাউন্ডে গেলে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলে সব সময় দেখার সুযোগ পান না। উনার কাছ থেকে পূর্ব অনুমতি নিতে হয়। বেশিরভাগ সময়ই বেলা দেড়টার পর তিনি সময় দিয়ে থাকেন। কিন্তু বাস্তবে নির্ধারিত সময়ে উনার দেখা পাওয়া যায় না। অনেক সময় আমাদের বোর্ডের চিকিৎসকরা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও উনার সাথে দেখা করার সুযোগ পাননি। আর্থাইটিস স্থিতিশীল অবস্থা কোনভাবেই অবনতি ঘটেনি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অবস্থার উন্নতিও হয়েছে।’

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা ঠিক মতো চলছে না— পরিবার ও বিএনপির এমন দাবি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে মাহবুবুল হক। তার দাবি- ‘তাদের চিকিৎসায় খালেদা জিয়া নিজেই সন্তুষ্ট আছেন।’

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও দলের দাবির জবাবে সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএসএমএমইউ পরিচালক। সেখানে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা তুলে ধরা হয়।

ডা. এ কে মাহবুবুল হক বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার অনুমতি না মেলায় কেবিনের বাহির থেকে ফিরে যেতে হয়েছে চিকিৎসকদের। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ঠিকভাবেই চলছে, পরিবারের অভিযোগ সঠিক নয়।’

হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ‘খালেদা জিয়া ৭ মাস ধরে এখানে ভর্তি রয়েছেন। ওনার শারীরিক অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি। বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি আছে। আবার কিছু কিছু থেকে স্থিতিশীল রয়েছে।’

পরিবার ও দলের দাবির জবাবে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে তার পরিবার সদস্য ও রাজনৈতিক দলের নেতারা যে সব বক্তব্য দিচ্ছেন, আমরা মনে করি তারা চিকিৎসক দলের সঙ্গে পরামর্শ না করে এ সব বক্তব্য দিচ্ছেন। তারা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে মনগড়া বক্তব্য দিচ্ছেন। এখানে যে চিকিৎসা চলছে তাতে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সন্তুষ্ট।’

বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা.এ কে মাহবুবুল হক বলেন, ‘আমরা এতোদিন একটি বিষয় বলতে চাইনি কিন্তু বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এমন কিছু সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে যে কারণে এখন বলতে হচ্ছে, আমাদের অফিস টাইম সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটি পর্যন্ত। অধ্যাপকরা রাউন্ডে গেলে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলে সব সময় দেখার সুযোগ পান না। উনার কাছ থেকে পূর্ব অনুমতি নিতে হয়। বেশিরভাগ সময়ই বেলা দেড়টার পর তিনি সময় দিয়ে থাকেন। কিন্তু বাস্তবে নির্ধারিত সময়ে উনার দেখা পাওয়া যায় না। অনেক সময় আমাদের বোর্ডের চিকিৎসকরা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও উনার সাথে দেখা করার সুযোগ পাননি। আর্থাইটিস স্থিতিশীল অবস্থা কোনভাবেই অবনতি ঘটেনি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অবস্থার উন্নতিও হয়েছে।’ব্রেকিংনিউজ

তিনি বলেন, ‘গত সাত মাস আগে তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও বাতজ্বরজনিত বিভিন্ন শারিরিক সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন। এখানে চিকিৎসায় বেশিরভাগ অসুখের উন্নতি হয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার বাতজ্বরের আধুনিক চিকিৎসার শুরু করার জন্য এক ধরনের ভ্যাকসিন নেয়া প্রয়োজন কিন্তু তিনি ভ্যাকসিন নিতে রাজি হচ্ছেন না। তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের সাথে পরামর্শ করে এ বিষয়ে আমাদের জানাবেন। তিনি আমাদের কাছে সময় চেয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রধান জিলন মিয়া সরকার বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা উন্নতির জন্য আমরা তাকে তিনটা ভ্যাকসিন দিতে চাচ্ছি ইনফ্লুয়েনজা, নিউমোনিয়া, ভাইরাস জনীত। কিন্তু খালেদা জিয়া তা নিতে চাচ্ছেন না। তার পরিবারের পরামর্শের কারণে তিনি ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহানা রহমান, উপ-উপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ডা. রফিকুল আলম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা.এ বি এম আব্দুল হান্নান, মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. জিলন মিয়া সরকার, ডায়বেটিস ও হরমোন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা.ফরিদ উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘গত সাত মাস আগে তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও বাতজ্বরজনিত বিভিন্ন শারিরিক সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন। এখানে চিকিৎসায় বেশিরভাগ অসুখের উন্নতি হয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার বাতজ্বরের আধুনিক চিকিৎসার শুরু করার জন্য এক ধরনের ভ্যাকসিন নেয়া প্রয়োজন কিন্তু তিনি ভ্যাকসিন নিতে রাজি হচ্ছেন না। তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের সাথে পরামর্শ করে এ বিষয়ে আমাদের জানাবেন। তিনি আমাদের কাছে সময় চেয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রধান জিলন মিয়া সরকার বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা উন্নতির জন্য আমরা তাকে তিনটা ভ্যাকসিন দিতে চাচ্ছি ইনফ্লুয়েনজা, নিউমোনিয়া, ভাইরাস জনীত। কিন্তু খালেদা জিয়া তা নিতে চাচ্ছেন না। তার পরিবারের পরামর্শের কারণে তিনি ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহানা রহমান, উপ-উপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ডা. রফিকুল আলম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা.এ বি এম আব্দুল হান্নান, মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. জিলন মিয়া সরকার, ডায়বেটিস ও হরমোন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা.ফরিদ উদ্দিন।

ব্রেকিংনিউজ

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: জাতীয়,ঢাকা