চীনা পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধির হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন ২০ হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের চীনা পণ্যের ওপর শুল্কহার বৃদ্ধি করা হবে। ট্রাম্প মনে করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য আলোচনা খুবই ধীরে এগুচ্ছে।

ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে ইতোমধ্যে বাজারে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে বৃহত্ত অর্থনীতির এই দুই দেশ আবারও বড় ধরনের বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। খবর বিবিসি ও সিএনএন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, রবিবার (৫ই মে) এক টুইটে ট্রাম্প লিখেন, আগামী শুক্রবার থেকে কিছু কিছু পণ্যে শুল্কহার ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হবে ও শিগগিরই ৩২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার সমমূল্যের শুল্কহীন পণ্যের ওপরও এই ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

তিনি লিখেন, ‘চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি (বিষয়ক আলোচনা) অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু তা খুব ধীরে এগুচ্ছে। তারা পুনরায় আলোচনা বসতে চাচ্ছে। না!’

ট্রাম্পের অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ল্যারি কুডলো এ টুইট নিয়ে বলেন, ‘এটা প্রেসিডেন্টের পক্ষে থেকে সতর্কতা ছিল।’
এদিকে, সাম্প্রতিক সপ্তাহে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
এই বছরের শুরুতেই চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির কথা ছিল ট্রাম্পের।

তবে পরবর্তীতে বাণিজ্য আলোচনায় অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে শুল্ক বৃদ্ধির সময়সীমা পেছান তিনি।

ট্রাম্পের হুমকিতে চীনা উপ-প্রধানপমন্ত্রী লিউ হে’র ওপর চাপ বাড়লো। চলতি সপ্তাহেই ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার পুনরায় আলোচনায় বসার কথা রয়েছে। এর আগে বেইজিংয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মনুচিন জানিয়ছিলেন, আলোচনাটি ফলপ্রসূ হয়েছে।
উলেখ্য, অন্যায্য বাণিজ্য চর্চার অভিযোগ এনে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করে চীন।

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুসারে, নতুন করে আরও ৫ হাজার চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
ট্রাম্পের দাবি, এই শুল্ক আরোপে তেমন কোনো ক্ষতির শিকার হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। তিনি এক টুইটে বলেন, ‘এই শুল্ক আরোপে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্রব্যমূল্যে তেমন প্রভাব পড়েনি।’ সূত্র: ব্রেকিংনিউজ/

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: আন্তর্জাতিক