চুলে জাগুক বিদিশার অন্ধকার

লাইফস্টাইল: শারীরিক সৌন্দর্যের অন্যতম আকর্ষণ চুল। আজকাল অনেকেই নানা ফ্যাশন আর স্টাইল করেন চুলে। ‍অনেকেই আবার চুল পড়া সমস্যা নিয়ে ভুগেন। কিন্তু এই চুল পড়া রোধ করা সম্ভব কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে।

চুলের অন্যতম ৩টি হেয়ার প্রোপারটিজ হলো- হেয়ার ফলিকল, শ্যাফট ও কেরাটিন। এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

* ফলিকল: এটি হচ্ছে এক ধরনের কোষ যা থেকে চুল জন্মায়। এটি চুলের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত স্টাইলিং, ব্লো ড্রাই ও এজিং-এর জন্য হেয়ার ফলিকল (hair follicle) ড্যামেজ হতে পারে। যখন হেয়ার ফলিকল ড্যামেজ হয়ে যায় তখন তা চুলের গোঁড়াতে পুষ্টি ও অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। আর এ কারণে চুলের যাচ্ছেতাই অবস্থা হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।

ড্যামেজ হওয়া হেয়ার ফলিকলের ট্রিটমেন্টে চুলের গোঁড়ায় নারকেল তেল ব্যবহার করুন।
সপ্তাহে ২-৩ বার নারকেল তেলের ছোট্ট একটি ম্যাসাজ আপনার চুলকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তুলতে পারে।

* শ্যাফট: হেয়ার ফলিকল থেকে বেড়ে ওঠা চুলের গোঁড়ার বাহিরে যে চুলের অংশ আমরা দেখতে পাই তাকেই মূলত হেয়ার শ্যাফট বলা হয়। ধুলাবালি থেকে শুরু করে, কেমিক্যাল প্রসাধনী, খাবারে অনিয়ম, স্টাইলিং অনেক কারণেই হেয়ার শ্যাফট ড্যামেজ হতে পারে।

এই ক্ষতির হাত থেকে চুল সুরক্ষিত রাখতে নারকেল তেল ও টকদইয়ের জুড়ি নেই। এক্ষেত্রে ডিমের সাদা অংশের সাথে টক দই, নারকেল তেল মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

* কেরাটিন: কেরাটিন এক ধরনের প্রোটিন। যা চুল, নখ ও চামড়া সুস্থ রাখার অন্যতম কারণ। চুলের কেরাটিন যখন ড্যামেজ হয়ে যায় তখন তা নতুন চুলের সেলস বা কোষগুলোকে আর রক্ষা করতে পারে না, ফলে চুল হতে থাকে ড্রাই, খরখরে ও নিস্তেজ।
এজন্য সঠিক খাবার খেতে হয় ও ধুলোবালি থেকে চুলকে দূরে রাখতে হয়। প্রয়োজনে ঘরে বসে চুলে নারকেল তেল লাগিয়ে একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে পানি চিপে নিন। এবার তোয়ালে মাথায় জড়িয়ে ১৫-২০ মিনিট স্টিম করে হালকা শ্যাম্পু করে ধুরে ফেলুন।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: লাইফস্টাইল