ধামইরহাটে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদ্বোধন

ধামইরহাটে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদ্বোধন
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি : ‘সারা দেশের ন্যায় নওগাঁর ধামইরহাটে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদে¦াধন করা হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গনপতি রায়ের সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের উদে¦াধন করেন নওগাঁ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হাসান।
উদে¦াধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ধামইরহাট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন, পোরশা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তোজাম্মেল হক, প্রধান শিক্ষক এস.এম খেলাল ই রব্বানী প্রমুখ।
ধামইরহাট উপজেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১৪ জন সুপারভাইজার এবং ৭১ জন তথ্য সংগ্রহকারী বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ করবেন। আগামী ২৩-১০-১৯ তারিখ পর্যন্ত হালনাগাদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। সকলকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহবান জানান উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।

 

ধামইরহাটে পত্তনী সম্পত্তির শর্ত ভঙ্গ করে জমি বিক্রয়ের অভিযোগ

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি : ধামইরহাটে খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারী সম্পত্তি পত্তন গ্রহণের পর শর্ত ভঙ্গ করে বিক্রয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার হরিতকীডাঙ্গা এলাকার বেনীদুয়ার গ্রামের এলাকায় জমিগুলো রাস্তার পার্শে হওয়ায় অধিক অর্থ লাভের আশায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই জমি তরিঘরি করে কেনাবেচাও করছে বলে অভিযোগ করেন ১নং ধামইরহাট ইউপি’র খাস ভূমি, মৎস্য ও কৃষি কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে জানা যায়, ১৯৮১ সালের ১৫ জুন উপজেলা ভূমি অফিস ২৮৭/৮১ নম্বর পত্তনী কেসমুলে স্থানীয় মহব্বতপুর গ্রামের ভেলু মন্ডলের ছেলে ইব্রাহীমের নিকট ১.৪৩ একর সম্পত্তি পত্তনী প্রদান করেন। শর্ত থাকে যে, ১৫ বছরের পূর্বে ওই জমি কাহারো নিকট বিক্রয় করতে পারবেন না। কিন্তু জমির পত্তন গ্রহীতা ইব্রাহীম হোসেন মাত্র ৮ বছর পরই শর্ত ভঙ্গ করে বেনীদুয়ার গ্রামের আ. গনি, লুৎফর রহমান ননি, মাসুদ রানা, ফজলুর রহমান ও আইয়ুবসহ আরও কয়েকজনের নিকট উক্ত পত্তনী সম্পত্তি বিক্রয় করে।
অভিযুক্ত আ. গনি ও আইয়ুব হোসেন গংরা জানান, আমরা ওই জমি খাস তা জানতাম না, তবে যদি সরকার পত্তন বাতিল করে তাহলে আমরাও আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
গ্রামবাসীরা জানান, ২৫ একরের উর্ধে যাদের জমি রয়েছে তাদের জমি স্বেচ্ছায় সরকারের নিকট হস্তান্তর না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খাস খতিয়ানভুক্ত হবে, ১৯৮০ সালের পূর্বে সরকারী এমন ঘোসনা আসলে জনৈক রজব আলী তার ২৫ একরের উর্ধে জমি সরকারের নিকট হস্তান্তর করেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা সুলতানা বলেন, পত্তনকৃত সম্পত্তির শর্ত ভঙ্গ করে যদি কেউ অন্যের নিকট জমি বিক্রয় করে তাহলে আইন অনুয়ায়ী ওই জমির পত্তন বাতিল হয়ে যাবে।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: রাজশাহী,সারাদেশ