নির্বাচিত খবর

নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফ কর্ত্তৃক এক ব্যক্তিকে পুশ-ইন করার চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহার উপজেলার কলমুডাঙ্গা সীমান্তে এক বাংলা ভাষী নাগরিককে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষি বাহিনী বিএসএফ।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত রোববার দুপুরে ১৬ বিজিবির অধিনস্থ সাপাহার উপজেলার কলমুডাঙ্গা সীমান্তের ২৩৭ মেইন পিলার এলাকায় ভারতের আদাডাংগা বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল ওই বাংলাভাষী নাগরীককে সীমান্তের কাটাতারের বেড়া পার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করার চেষ্টা করে।

পুশইন-এর সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয় কলমুডাঙ্গা বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌছে সেখানে কঠোর অবস্থান নিয়ে বিএসএফ এর পুশইন তৎপরতা প্রতিহত করে। পরে ওই সীমান্তে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষিবাহিনী অতিরিক্তি সৈন্য মোতায়েন করে কঠোর অবস্থান নেয়। ফলে পুশ ইনের জন্য নিয়ে আসা ওই ব্যক্তিকে রোববার দুপুর থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ওই সীমান্তে না খেয়ে মৃতপ্রায় অবস্থায় অবস্থান করতে দেখা গেছে।

এ ঘটনায় ১৬বিজিবি অধিনায়ক লে:কর্ণেল আরিফুজ্জামান এর সথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, ওই যুবক ভারতীয় নাগরিক সে বর্তমানে উভয় দেশের নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছে।

বিষয়টি নিরসনে বিজিবি-বিএসএফ’র মধ্যে আলাপ আলোচনা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন সু-রাহা না হওয়ায় মঙ্গলবারেও ওই ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর সদস্যরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় শক্ত অবস্থান গ্রহণ করে আছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আবারো ১৬বিজিবি অধিনায়ক লে:কর্ণেল আরিফুজ্জামানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, মঙ্গলবারের আলাপ আলোচনায় ভারতের সীমান্ত রক্ষাবাহিনীরা তাকে ভারতের লোক বলে স্বীকার না করায় বিষয়টি এখনও ওই অবস্থায় রয়েছে। তিনি বলেছেন ওই ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ভারতে কখনও যায়নি তাই সে বাংলাদেশের নাগরিক বলার প্রশ্নই ওঠেনা। তবে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে আবারো উভয় দেশের কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।#

 

নওগাঁর কে,ডি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৪ ও ২০১৫ ব্যাচের ছাত্রদের ব্যতিক্রমধর্মী প্রায় ৩ শতাধিক পরিবারে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে,ডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৪ ও ২০১৫ ব্যাচের ছাত্ররা আসন্ন ঈদে বাবা মার কাছ থেকে নতুন পোশাক না নিয়ে ওই পোশাক বাবদ অর্থ নিয়ে করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া ব্যতিক্রমধর্মী প্রায় ৩ শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন করেছেন। করোনা প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া যে সমস্ত (মধ্যবিত্ত পরিবার) পরিবার কারও কাছে কোন কিছু চাইতে পারবে না, কোন ত্রানের তালিকায় নাম থাকবে না। খেয়ে না খেয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। সেই সকল পরিবারের সরকার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কেহ খোজ রাখে না। শহরের বিভিন্ন মহল্লায় তারা কয়েকটি টিমে ভাগ হয়ে এই সকল পরিবারের তালিকা তৈরী করে বাবা মায়ের কাছ থেকে নতুন পোশাকের অর্থ দিয়ে চাল, ডাল, আলু, পিয়াজ, আটা, চিনি, সেমাই, দুধ, নুডুলস,তেল, লবন, সাবান ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র ক্রয় করে। নিজেরাই প্যাকিং করে নাম দিয়েছে ঈদ উপহার। যা একটি পরিবারের ১৫ দিন চলবে। রাতের আধারে আধারে বাড়ী বাড়ী গিয়ে এই ঈদ উপহার পৌছে দেয় একদল দেশের বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের এই মেধাবী শিক্ষার্থীরা। কোন আনুষ্ঠানিকতা করে নয় ভিন্ন আঙ্গিকে এই ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন করেন তারা।

২০১৪ ব্যাচের দলনেতা মাসনাদ কবির স্বাক্ষর ও ২০১৫ ব্যাচের দলনেতা নূর ইসান জানান, করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া নিন্মবিত্ত পরিবারের সদস্য সরকারী ও বে-সরকারী ভাবে পর্যাপ্ত ত্রান পাচ্ছে। এছাড়াও খোলা বাজারে ১০ টাকা কেজি দরে ওএমএসের চাল, টিসিবিসহ বিভিন্ন ভাবে সাহার্য্য সহযোগিতা করে সংসার চালাচ্ছে তাদের কোন অসুবিধা হচ্ছে না। অথচ মধ্যবিত্ত পরিবাররা কোন কিছুই পাচ্ছে না। তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাই তাদের কথা চিন্তা করে ওই ব্যাচের বন্ধুরা মিলে নতুন জামা কাপড়ের অর্থ দিয়ে মানবিক কারনে এই উদ্যোগ গ্রহন করে ঈদ উপহার নাম দিয়ে এগুলো বিতরন করেছি। ভবিষ্যতেও যে কোন দূর্যোগে অসহায়দের পাশে দাড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি বলে জানান তারা। এসময় ২০১৪ ব্যাচের আসাদুজ্জামান রিমন, তৌহিদুল তনয়, জাংসাদুর নাবিল এবং ২০১৫ রাকিবুজ্জামান উল্লাস, ব্রত খান ও রাদিত আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

নওগাঁয় প্রতিবন্ধি সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের উদ্যোগে প্রতিবন্ধিদের মাঝে টাকা বিতরন

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ের অধিনে প্রতিবন্ধি সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের উদ্দ্যেগে ৮০ জন প্রতিবন্ধিদের মাঝে ৪০ হাজার টাকা বিতরন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় প্রতিবন্ধি সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে সদর উপজেলা ও পৌরসভার ৮০জন প্রতিবন্ধির মাঝে এসব টাকা বিতরন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে এসব টাকা বিতরন করেন, অতিরিক্ত জেলা মাজিষ্ট্রেট ওয়াশিমুল বারী। এসময় জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মাদ ও প্রতিবন্ধি বিষয়ক কর্মকর্তা হুমায়ন কবিরসহ অন্যান্যে কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য জেলায় ৪৪৩ জন প্রতিবন্ধির মাঝে ২ লাখ ২১ হাজার ৮২৩ টাকা বিতরন করা হবে জানা গেছে। এছাড়াও প্রধান অতিথি সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৫০জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা বিতরন করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মাদ, জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। #

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: রাজশাহী,সারাদেশ