নির্বাচিত খবর

নিজ শহরে সোলাইমানির মরদেহ, সেখানেই দাফন

                                       সোলাইমানিকে নিজ শহরে মাটি দিতে সমবেত লোকজন

 

 

 

 

 

 

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন ড্রোন হামলায় শুক্রবার নিহত ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানির মরদেহ তার জন্মস্থান কেরমানে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সোলাইমানির মরদেহ কেরমানে নেওয়া হয়। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে সোমবার তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশটির জুমা মসজিদ প্রাঙ্গণে সর্বোচ্চ নেতার নেতৃত্বে সোলাইমানির জানাযা হয়। সেখানে তাকে বিদায় জানাতে অশ্রুশিক্ত নয়নে লাখো মানুষের সমাবেশ হয়েছিল। এ সময় লোকজন কালো কাপড় পরে ইরানের পতাকা ও সোলাইমানির ছবি নিয়ে আসেন। জানাযার সময় কাঁদতে দেখা যায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাই খামেনিকে।

শুক্রবার বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের প্রভাবশালী সামরিক এই কমান্ডার। তাকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের অন্যতম কারিগর মনে করা হয়।

ইরানের কেরমান প্রদেশের  একটি দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেন সোলাইমানি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। মাত্র ১৩ বছর বয়সে কাজে যোগ দেন তিনি। কাজের পর অবসরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। ১৯৭৯ সালে ইরান বিপ্লবের সময় ইরানের সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন তিনি। পরে আস্তে আস্তে দেশটিতে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন।

সোলাইমানির মৃত্যুতে ইরান তিনদিনের  জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে। তার মৃত্যুতে দেশটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা সোলাইমানি হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দিয়েছেন।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: আন্তর্জাতিক