‘পর্যায়ক্রমে সকল গণহত্যাস্থলে স্মৃতিফলক স্থাপন করা হবে’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: গণহত্যা জাদুঘর ট্রাস্টের সভাপতি বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সারাদেশে গণহত্যার মহোৎসব চলে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে হাজার হাজার গণহত্যা স্থল অযত্ন অবহেলায় সেগুলো নিশ্চিহ্ন হতে চলেছিল। কিন্তু সেগুলো সরকার সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১– গণহত্যা- নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্ট গণহত্যা স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে স্মৃতিফলক স্থাপন করছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে ২৭টি গণহত্যাস্থলে সংক্ষিপ্ত ইতিহাসসহ স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল গণহত্যাস্থলে স্মৃতিফলক স্থাপন করা হবে।

তিনি শুক্রবার বিকেলে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার সাচিঁয়াদহ গণহত্যা স্মৃতিফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এই গণহত্যাস্থলে ৬০জনকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়।

ড. মুনতাসির মামুন বলেন মুক্তিযুদ্ধকালিন সময়ে ৩০ লাখ মানুষকে যে হত্যা করা হয়েছিল তার প্রমাণ হাজার হাজার গণহত্যাস্থল। এসকল গণহত্যাস্থল সম্পর্কে অনেকেই ভুলে গিয়েছিল। সেগুলো সংরক্ষণ করে নতুন প্রজন্মকে জানানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বিশেষ করে ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসে এসকল স্মৃতিফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন করে শহীদদের স্মরণ করতে হবে।

তেরখাদা উপজেলার আঠারবাকি নদীর তীরবর্তী সাচিয়াদহ বাজারের পাশে সাচিয়াদহ গণহত্যার স্মরণে গণহত্যা জাদুঘর ট্রাস্ট নির্মিত শহিদ স্মৃতিফলক প্রধান অতিথি হিসেবে উন্মোচন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ।

অধ্যাপক এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন তেরখাদা উপজেলা চেয়ারম্যান শরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আযাদ, অ্যাডভোকেট অসিত হালদার, চিত্ত রঞ্জন বালা প্রমুখ।

এর আগে তারা তেরখাদা উপজেলার ১ নম্বর আজগড়া ইউনিয়নের আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় গণহত্যাস্থলে স্থাপিত স্মৃতিফলক পরিদর্শন করেন।

বিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: খুলনা,সারাদেশ