শিরোনাম

পুঠিয়ায় কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর পুঠিয়ায় এক কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষি কর্মকর্তা প্রকৃত কৃষকদের প্রর্দশনী না দিয়ে বর্গচাষী যার কোন নিজস্ব জমি নেই তাদেরকে প্রদশর্নী ও সরকারী অনুদান প্রদান করেছে। এছাড়া অনুদানের টাকা কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা তাদের প্রপ্যতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের ভাংড়া এলাকায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোক্তাদির হোসেন কর্মরত আছেন। তিনি উপজেলা কৃষি অফিসারের সহযোগীতায় এলাকায় ফিল্ডে কৃষকদের সাথে সম্ময়হীনতা যোগাযোগ কম এবং প্রকৃত কৃষক যাদের নিজস্ব জমি আছে তাদেরকে বাদ দিয়ে জমি লিজ নিয়ে বর্গচাষীদের কৃষকদের কমিটিতে অন্তরভূক্ত করণ ছাড়াও তাদেরকে প্রদর্শনী মনোনীত করে সরকারী সুবিদা প্রদান করে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার ভাংড়া এলাকার আকরাম হোসেনের পুত্র আরিফ হোসেনের কোন নিজস্ব জমি-জমা নাই। তিনি মানুষের জমি লিজ নিয়ে আবাদ ফসল করে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোক্তাদির হোসেন গোপন চুক্তির মাধ্যমে তাকে চলতি মৌসুমে পিয়াজের প্রদর্শনী প্রদান করে। এছাড়া তিনি ঠিক মত মাঠে আসেনা। এলাকায় যদি আসে তাহলে সার ও কিটনাশকের দোকানে এসে বসে চা খেয়ে চলে যান। তিনি প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে বর্গচাষীদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
আরিফ জানায়, আমি ২ বিঘা মানুষের জমি লিজ নিয়ে আবাদ ফসল করি। কৃষি অফিস থেকে আমাকে পিয়াজের প্রদর্শনী দেওয়া হয়। প্রদর্শনীর জন্য আমাকে পিয়াজের বিজ দেড় কেজি, ইউরিয়া সার ১ বস্তা, পটাস সার ২৫ কেজি, জীব সার ১ বস্তা ও ফসপেট সার ১ বস্তা প্রদান করে। এছাড়া পিয়াজ সংরক্ষনের জন্য বাঁশ দিয়ে একটি মাচান তৈরির খরচ দেওয়ার কথা থাকলেও কৃষি অফিস তা না দিয়ে আমাকে মাত্র ১ হাজার টাকা দিয়েছে। যা দিয়ে ২ থেকে ৩ টা বাঁশ কেনা যাবে।
জানা গেছে, সরকারী নিয়ম মোতাবেক একজন কৃষকের নিজস্ব তিন বিঘা জমি থাকতে হবে। পাশাপাশি তাকে বীজ সংরক্ষণ করতে হবে সহ বিভিন্ন নিয়ম থাকলে তা না মেনে কৃষি কর্মকর্তারা ইচ্ছে মত গোপন চুক্তির মাধ্যমে যাকে তাকে প্রদর্শনী প্রদান করে।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোক্তাদির হোসেন জানায়, আফিস হোসেন কৃষকের বিষয়ে আমার কিছু জানা নাই। কত টাকা প্রদান করা হয়েছে সেটাও অফিস জানে আমি জানানা।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মনছুর রহমান জানান, উপজেলায় ১০ জন পিয়াজ চাষীকে প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। আর বর্গচাষীও প্রদর্শনীতে আনার নিয়ম আছে। কত টাকা এবং সার বা বীজ প্রদান করা হয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে নারাজ।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: রাজশাহী,সারাদেশ