প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১লা ফেব্র“য়ারী ১৯ইং তারিখে, বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকাসহ ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার শেষের পাতায় ২য় কলামে ‘পুঠিয়া প্রকল্প অফিস, গাড়ী-বাড়ীসহ বহু কোটি টাকার মালিক পিয়ন সমেন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। আমাকে সমাজে হেও, পতিপন্ন করার উদ্দ্যেশে প্রকাশিত করা হয়েছে।
সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী শহরের তেরখাদিয়ায় ৫ বছর আগে ৫৪ লাখ টাকা দিয়ে একটি প্লট কিনে রেখেছেন। তার বাড়ির কাছে নিপেন স্যারের বাড়ির দক্ষিণ দিকে ৩০ শতাংশ জমি ২০ লাখ টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে। তার বিয়ের অনুষ্ঠান করতে এবং সোনার গহনাসহ খরচ হয়েছে ২০ লাখ টাকা। আমার ভাতিজা তিনটি ট্রাক কিনেছে। তারপর সাত তলা ফান্ডেশনের দুই তলা বিশিষ্ট একটি বিশাল বাড়ি তৈরি করেছে। শুধু দুই তলা বাড়িটি নির্মাণ করতে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে সমেনের প্রতিবেশী ও বাড়ি নির্মাণের কাজ করা সহ বিভিন্ন প্রকল্প থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করা হয়েছে।
যা আদৌও সঠিক নয়। প্রকৃত ঘটনা হল- রাজশাহীর তেরখাদিয়ায় আমার কোন প্লট কেনাই নাই। আমার বাড়ির পার্শ্বে খালের ২২ শতক জমি ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে আমরা তিন ভাই ক্রয় করি। আর বিয়ের দেন মহর হিসেবে যা পেয়েছি তা দিয়ে কোন রকম বিয়ের খরচ পার করেছি। কিন্তু বিয়ের খরচ ২০ লাখ টাকার কথা উল্লেখ করেছে, সেটা সঠিক নয়। এছাড়া পুঠিয়া পৌরসভা থেকে অনুমদিত ৩ তলা ফান্ডেশনের একটি বাড়ি তিন ভাই মিলে তৈরির পরিকল্পনা করি। কিন্তু বিভিন্ন স্থান থেকে লোন করে বাড়ির নিচের তলায় কাজ করে, কোন রকম মাথা গোজার ঠায় করেছি। এখন পর্যন্ত টাকার অভাবে ২ তলার কাজ শেষ করতে পারিনি। এতে ৭০ লাখ টাকা খরচের বিষয়টি সঠিক নয়। এছাড়া গাড়ীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু আমার দুই ভাই লোন করে ২টি পিকআফ ও ১টি ট্রাক ক্রয় করেছে। আমি ছোট চাকুরী করি। কিন্তু বিভিন্ন প্রকল্প থেকে জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার প্রশ্নই আসেনা। ঘটনাটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। এর তিব্র নিন্দ ও প্রতিবাদ করছি।

সমেন কুমার ঘোষ
মাষ্টাররোল কর্মচারী
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়
পুঠিয়া, রাজশাহী।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: রাজশাহী,সারাদেশ