বক্ষবন্ধনী: স্টাইল পরে আগে আরাম

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বর্তমান দুনিয়ায় নারীর জন্য বাজারে বহুবিধ বক্ষবন্ধনী এসেছে। নারীরাও সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিয়ে দেদারছে কিনে নিচ্ছেন এই অন্তর্বাসটি। বাংলায় যাবে বক্ষবন্ধনী বলে ইংরেজিতে সেটির নামই ব্রা। নাম ভিন্ন হলেও জিনিস একটিই। আর এই পণ্যটি এমনভাবে তৈরি করা হয় যা নারীর স্তনযুগলকে আঁটোসাঁটো করে উঁচু করে ধরে রাখে।

পশ্চিমা দুনিয়ায় আজকাল ব্রা পরার ব্যাপারে তরুণীদের আগ্রহ বাড়লেও ইদানিং তারা যে অন্তর্বাসটি পরছেন সেটির নাম ব্রালেট। তবে ব্রা হোক কিংবা ব্রাসেল- আধুনিক নারীরা বক্ষবন্ধনী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনও বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন? স্টাইল নাকি আরাম?

ব্রা আর ব্রালেটের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সাধারণত ব্রালেটে নারীর স্তনযুগলকেহ সুঢৌল করে চারদিক থেকে আঁকড়ে ধরে উঁচু করে রাখার কোনও ব্যবস্থা নেই। ব্রালেট তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের নরম ও আরামদায়ক কাপড় দিয়ে। অনেকটা স্পোর্টস ব্রা-এর মতো আরামপ্রদ হয় এসব ব্রালেট।

শুধু বক্ষযুগল উন্নত আর উঁচু দেখানোই সৌন্দর্য প্রদর্শনের একমাত্র পরিমাপক নয়- এ কথাটি আজকাল পশ্চিমা বিশ্বের নারীরা গলা ফাটিয়েই বলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তাইতো আরামের কথা মাথায় রেখে বাড়ছে ব্রালেটের ব্যবহার।

বিভিন্ন দেশের দোকানিরাও জানিয়েছেন, ব্রালেট এখন নারীদের অন্তর্বাসের পছন্দের তালিকায় একেবারে উপরের দিকে রয়েছে। ব্রালেটের সঙ্গে নারীর ‘স্বাধীনতা’ ও ‘স্বস্তি’ শব্দগুলোও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে সামনে আসছে সামাজিকমাধ্যমগুলোতে।

১৮৯৩ সালে সর্বপ্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শহর নিউইয়র্কে বক্ষবন্ধনীর ব্যবহার শুরু হয়েছিল। তখন ‘ব্রেস্ট সাপোর্টার’ হিসেবে এই ব্রা’র পেটেন্ট নেয়া হয়েছিল। এরপর ১৯২৬ সালে ফ্যাশন ব্যবসায় থাকা এমএন্ডএস তাদের নকশা করা ব্রা প্রথম বাজারে এনেছিল।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: লাইফস্টাইল