বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দুর্ঘটনাকবলিত কোনও যাত্রী আসেনি

জাতীয় ডেস্ক: মিয়ানমারের ইয়াংগুন থেকে ১৭ যাত্রী নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট। ফ্লাইটটিতে আসা সকলেই মিয়ানমার থেকে ঢাকায় আসতে অপেক্ষামান সাধারণ যাত্রী। তাদের কেউ ইয়াংগুন বিমানবন্দরে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়া বাংলাদেশ বিমানের (বিজি ০৬০) যাত্রী নন।

সকালে এসব তথ্য ব্রেকিংনিউজকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) ভোর ৫টা ৩ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেছে উড়োজাহাজটি।

এর আগে বাংলাদেশ বিমানের এক বার্তায় জানানো হয়, দুর্ঘটনার পর ইয়াংগুন বিমানবন্দরে আটকা পড়া যাত্রীদের আনতে বুধবার (৮ মে) রাত ১১টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ওই উড়োজাহাজটি ইয়াংগুন যায় ও বৃহস্পতিবার মধ্যরাত ২টা ৩৩ মিনিটে বিশেষ উড়োজাহাজটি ইয়াংগুন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পরবর্তীতে জানা যায়, উড়োজাহাজটিতে ফেরত আসা যাত্রীরা দুর্ঘটনাকবলিত বিমানের নন।

প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে বিমান বাংলাদেশের (বিজি-০৬০) একটি উড়োজাহাজ (ড্যাশ-৮) অবতরণের সময় ইয়াংগুনের রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। উড়োজাহাজটিতে এক শিশুসহ ২৯ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট ও ২ জন কেবিন ক্রু ছিলেন।

বুধবার (৮ মে) রাতে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বিমান যাত্রীদের কেউ গুরুতরভাবে আহত হননি। তাদের কারোরই জীবনশঙ্কা নেই।

মিয়ানমারের বাংলাদেশ মিশন জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত ওই বিমানের ১১ জনকে বিমানবন্দরেই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ১৯ জনকে বিমানবন্দরের কাছাকাছি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। তবে কারো অবস্থাই গুরুতর নয়।

রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরেকটি বার্তায় জানিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া ১৯ জনের মধ্যে ৪ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

বিমানের প্রকৌশল শাখার একটি সূত্র জানিয়েছে, বিমানটিতে পাইলটের দায়িত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন শামিম। জরাজীর্ণ ওই ড্যাস-৮ কিউ ৪০৯ উড়োজাহাজটি অনেকদিন থেকে ভালো চলছিল না।

উল্লেখ্য, ইয়াংগুনে আটকা পড়া যাত্রীদের খোঁজ-খবর পেতে স্বজনরা বিমানের হেল্পলাইন ০২৮৯০১৫৩০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন বলে বিমানের বার্তায় জানান হয়।সূত্র: ব্রেকিংনিউজ/

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: জাতীয়