মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলতে মরিয়া ইরান

ছবি : (বাঁ দিক থেকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০১৫ সালে ইরান চুক্তি সই করেছিলেন। ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, চীন এবং রাশিয়া ওই চুক্তির পক্ষ ছিল। পূর্বসূরির করা এই চুক্তি থেকে গতবছর হঠাৎ সরে এসেছিলেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গেই তেহরান সরকারের উপরে আরও কড়া নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিলেন তিনি।

যার ধাক্কা এখনও সামলে উঠতে পারেনি তেহরান। আপাতত তাই নিষেধাজ্ঞা তুলতে মরিয়া ইরান সরকার। ইরান চুক্তিতে থাকা বাকি পাঁচটি দেশকে দুইমাস সময় দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। ইঙ্গিত দিয়েছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা না উঠলে পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ফের ভাবনা-চিন্তা করবে তার দেশ। বুধবার (৮ মে) মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক চলাকালীনই রুহানি স্পষ্ট জনান, বেঁচে যাওয়া সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং ভারী জল এখন থেকে আর বিদেশে রফতানি করবে না তার দেশ। যার অর্থ একটাই। পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে কাজে লাগানো হবে সেগুলি। রুহানির গোটা বিবৃতি সরাসরি সম্প্রচার হয়েছে ইরানের টিভিতে।

ইরান চুক্তির অন্যতম শর্তই ছিল, দেশের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে কাজে লাগার পরে উদ্বৃত্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং ভারী জল অন্য দেশকে বিক্রি করে দিতে হবে ইরানকে। যা এখন থেকে আর তারা মানবেন না বলে টুইট করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ।

একই সুরে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। তিনি বলেছেন, ‘এই চুক্তিতে একটা অস্ত্রোপচার দরকার বলে আমরা মনে করি। কারণ এক বছর ধরে যে ঘুমের ওষুধ আমাদের দেওয়া হচ্ছিল, তাতে ফল হয়নি। আর এই অস্ত্রোপচারটা চুক্তিটাকে বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন। সেটাকে ধ্বংস করতে নয়।’’সূত্র: ব্রেকিংনিউজ/

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: আন্তর্জাতিক