রাণীশংকৈলে ঘুষের টাকা গিলে হজ্বে গেলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা

আনোয়ার হোসেন আকাশ, ঠাকুরগাও- প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জামালউদ্দিন চৌধুরী দূণীতি-ঘুষের টাকা গিলে হজ্বে গেলেন। চলতি বছর হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে হজ্ব পালনের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। অপরদিকে তিনার বিরুদ্ধে শিক্ষক বদলী বানিজ্য, ক্ষুদ্র মেরামত ও এমারজেন্সি মেরামতের নামে টাকা আত্মসাৎ, শ্লিপের টাকার কমিশন, আনন্দ স্কুলের টাকার ভাগ বাটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার করনাইট প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী থাকার পরও বদলী বানিজ্যের কারনে সেখানে মাত্র দুই জন শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলছে। মুনিষগাও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমপক্ষে পাঁচ জন শিক্ষক থাকার দরকার সেখানে রাখা হয়েছে তিন জন শিক্ষক। বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত ও এমারজেন্সি মেরামতের নামে দূর্ণীতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

রসুনপুর ও বাচোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তবুও এখানে এমন দূর্ণীতি করেছেন। উপজেলার ১৫৭টি স্কুলের মধ্যে ১৫৫টি স্কুল থেকে শ্লিপের ৪০ হাজার টাকার মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে ১৬০০টাকা করে আদায় করেছেন। আনন্দ স্কুলের উপজেলা টিসি সাইফুলের সাথে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন কৌশলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও তিনার সম্পৃক্ততার কথা জানা যায়। দুই বারের শ্রেষ্ঠ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কাজে জড়িত থাকার অপরাধ প্রমানিত হওয়ার পরও সরকারি শিক্ষক ধিরেন্দ্র নাথের বিরুদ্ধে অজ্ঞাত কারনে তিনি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।

তিনার সাথে কয়েক বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সময় না দিয়ে এড়িয়ে গেছেন। উপজেলার সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধিরা শিক্ষা কর্মকর্তার ব্যাপারে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য না করে বলেন, আমি হজ্বে যাচ্ছি তো তাই ব্যস্ত থাকায় আপনাকে সময় দিতে পারিনি।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: রংপুর,সারাদেশ