শুভ জন্মদিন কণ্ঠরাজ

বিনোদন ডেস্ক: কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর কিশোরের জন্মদিন আজ। ঢাকাই ছবির ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ খ্যাত এই শিল্পী ১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর জন্ম নেন। আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সংগীতশিল্পী ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন তিনি।

এন্ড্রু কিশোরের মা মিনু বাড়ৈ এর প্রিয় শিল্পী ছিলেন কিশোর কুমার। তাই তিনি প্রিয় শিল্পীর নামের সঙ্গে মিল রেখে নিজের সদ্যজাত সন্তানের নাম রাখেন ‘কিশোর’। সেদিনের সেই ছোট্র কিশোরই আজকের আমাদের জীবন্ত কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোর।

তার বাবা ক্ষীতিশ চন্দ্র বাড়ৈ। মা রাজশাহীর বুলনপুর মিশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। ওই স্কুলেই পড়াশোনায় হাতেখড়ি তার। আর সংগীতের পাঠ শুরু রাজশাহীর আবদুল আজিজ বাচ্চুর কাছে।

আশির দশকে সিনেমার প্লেব্যাকের জগতে প্রবেশ করেন এন্ড্রু কিশোর। এরপর থেকে বাংলা, হিন্দিসহ বহু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেন তিনি। অসংখ্য কালজয়ী গান তার কণ্ঠ থেকে বের হয়। বাংলা ভাষাভাষীদের প্রিয় শিল্পীদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

তার কালজয়ী গান ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ ১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বড় ভালো লোক ছিলো’ ছবির গান। এটি লিখেছেন সৈয়দ শামসুল হক, সুর করেছেন আলম খান। এই গানটির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুস্কার পান এন্ড্রু কিশোর।
এছাড়া একই পুরস্কার পান ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’ গানটির জন্য। ১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সারেন্ডার’ ছবির এ গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সুর করেছেন আলম খান।

তার পুরস্কারপ্রাপ্ত আরও গানের মধ্যে রয়েছে চোখ যে মনের কথা বলে’ ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘আজ গায়ে হলুদ’ ছবির গান এটি। লিখেছেন ও সুর করেছেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ছবির ‘দুঃখ বিনা হয় না সাধনা’, ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সাজঘর’ ছবিতে মুনশী ওয়াদুদের লেখা গান এবং ২০০৮ সালে ‘কি যাদু করিলা’ ছবিতে আলম খানের সুরে গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এন্ড্রু কিশোর।

বিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: বিনোদন