হায় হায়রে আমার সব ধান খাইয়া গেছে ভারতের হাতি পুলাপান খাইব কি

রৌমারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ রৌমারী সীমান্তে বন্যহাতির তান্ডবে কৃষকের সর্বনাশ পাকা ধানে মই. ভারতের হাতি আইসা সব ধান খাইয়া গেছে। ভারতের.বন্যহাতিরদল.দলবদ্ধভাবে বাংলাদেশ প্রবেশ করে খেঠে খাওয়া কৃষকের পাকাপোক্ত ধান গুলো খেয়ে গেছে ভারতের হাতি। এমন মর্মান্তিক বন্যহাতির তান্ডবটি চালিয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার. রৌমারী উপজেলাধীন যাদুরচর ইউনিয়নের। আলগারচর গ্রাম নামক স্থানে।

সীমান্তবর্তী আলগারচর গ্রামের সামনে ভারত বাংলার মেইন পিলার নং ১০৭১ /৭২/৭৩ এর আশেপাশের এলাকা গুলোতে।  প্রতিটি বছর কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকদের পাকা কাচা বোরো ধান হরহামেশায় খেয়ে যায়।

এতে সরকার বা সরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কেউই তা আমলে নেয় না। কৃষির উপরে নির্ভরশীল কৃষক  রবিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন  প্রতিটি বছর এই সময় আসলেই ভারতের হাতি আইসা আমাগোর পাকা কাচা ধান খেয়ে যায়। শতবার চিৎকার করেও কোন ফল পাওয়া যায়নি জেলা.উপজেলার সকল দপ্তরে অভিযোগ করে এক পয়সার উপকার বা ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরুন কেউই আমাদের দেয় না। রবিউল ইসলাম আরও জানান আমি দুই বিঘা জমিতে তেজ ধান লাগাইছিলাম আজ রাতে সবই খাইয়া গেছে। এহেন আমি আমার পরিবার কি খাইব আমি কোন পথ খুইজা পাইতাছি না।

কারণ দুই বিঘা জমিতে ফসল চাষ কইরা সারাবছর এই দিয়া জীবনযাপন করি। ওই ফসল সবই খেয়ে গেছে হাতি এহেন আমার আর কিছুই রইলো না . কারণ এইহানে হাওর এলাকা বছর পর পর একটাই মাত্র ফসল হয় ধান এছাড়া আর কোন ফসল হয় না। সে আরও জানায়  সারাবছর এই জমি গুলো পানি নিচে পরে থাকে বছর একটাই ফসল।

তারপর দুই বিঘা জমিতে কত মন ধান ফলানো সম্ভব সে বলে দুই বিঘা জমিতে  ১০০/১২০ মন ধান পাই হেই ধানেই আমার বউ পুলাপান পরালেখা করে।রবিউল ইসলাম সরকারের কাছে ক্ষতিপূর্ণ চেয়ে দাবী জানান গতকাল রাত আনুমানিক ৮ টার সময় ভারতের বন্যহাতি গুলো বাংলাদেশ প্রবেশ করে একজনের ৬২ শতকের বিঘা. দুই বিঘা জমির পাকা ফসল খেয়ে আবার রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে ভারতে উঠে যায়।

ওই এলাকার কৃষক মাহুবুর রহমান. আবুল হাশেম. নুরুল ইসলাম. ফরজ আলী. হাসেন আলী. মফিজল হকসহ ওই এলাকার কৃষক সবাই হাতি আতংকে দিনযাপন করছেন বলে সীমান্ত এলাকার কৃষকরা জানান।

প্রিন্ট করুন

বিভাগ: বিনোদন,রংপুর,সারাদেশ