অস্ট্রেলিয়ায় ঈদ কাটালেও শাবনূরের মন পড়ে থাকে বাংলাদেশে

0 47

বিনোদন ডেস্ক: প্রায় অর্ধযুগ ধরে দেশের বাইরে ঢাকাই ছবির অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। এখন আর ঈদ এলেও তার একাধিক ছবি মুক্তি পায় না। হল ঘুরে ঘুরে দর্শকদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করা হয় না। শাবনূর এখন পুরোদস্তুর সংসারী। স্বামী-সন্তান নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাস জীবন দারুণ উপভোগ করছেন এই গুণী অভিনেত্রী।-ব্রেকিংনিউজ/

বিয়ের দু’বছর পর ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে পাড়ি জমানোর পর বেশ কয়েকবার দেশে আসা হলেও গত কয়েক বছরে একবারও ঈদ করা হয়নি বাংলাদেশে। একমাত্র ছেলে আইজান নেহানের পড়াশোনার পেছনেই বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয় তাকে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি স্কুলে পড়াশোনা করছে আইজান।

তবে দেশ ছাড়লেও বাংলাদেশের অগণিত ভক্তকূলের সঙ্গে সম্পর্কে এতটুকুও ভাটা পড়েনি শাবনূরের। প্রায় নিয়মিতই ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন তিনি। কিন্তু তারপরও তো ভক্তদের পাশে থেকে ঈদ করা হয় না। গেল কয়েক বছরের মতো এবারও সিডনিতেই ঈদ করেছেন শাবনূর। সেখানে কেমন কেটেছে এই ঢালিউড অভিনেত্রীর ঈদ?

শাবনূর জানান, এখন সিডনির অনেক বাঙালির সঙ্গে তার ভালো পরিচয় ও সম্পর্ক। ঈদের অনেকের বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছেন। যতটা সম্ভব সময় দিয়েছেন। অনেকেই তার বাসাতেও এসেছেন। প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে বেশ ভালোই ঈদ উদযাপন করেছেন নায়িকা।

তিনি বলেন, ‘সবার বাসায় গিয়ে মনে হয়েছে বাংলাদেশেই আছি। সিডনিতে এসে অনেক বাংলাদেশীদের সাথে পরিচয় হয়েছে। ঈদের দিন সকালে পরিচিতদের অনেকে আমার আসায় এসেছিলো। তাদের সাথে বসে হঠাৎ পরিকল্পনা করলাম পরিচিতদের মাঝে যারা আসেননি তাদের বাসায় গিয়ে চমকে দিবো। এই চমক দিতে গিয়েই ঈদের পূর্ণ আনন্দটা পেয়েছি।’

সিডনিতে শাবনূরে বাসার অল্প কিছু দূরেই থাকেন তার মা ও ছোট বোন। ঈদের দিন সবাই তার বাসায় চলে এসেছিলেন।

তবে স্বামী-সন্তান, মা-বোন কিংবা প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে চুটিয়ে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করলেও শাবনূরের মন এখনও পড়ে থাকে বাংলাদেশেই। বিশেষত ঈদে হলে গিয়ে নিজের কিংবা অন্যদের বাংলা ছবি দেখা মিস করেন নায়িকা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বরেই দেশে ফিরবেন এবং প্রিয় এফডিসিতে যাবেন বলেন জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অনিক মাহমুদকে বিয়ে করে দু’বছর পরই স্বামীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া পাড়ি জমান শাবনূর। ২০১৩ সালে তাদের ঘর আলো করে আইজানের জন্ম হয়। ১৯৯৩ সালে প্রখ্যাত পরিচালক এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’ ছবিতে অভিনয় করে রাতারাতি বাংলা ছবির দর্শকদের হৃদয় জয় করে নেন ৯০ এর দশক ও পরবর্তী দেড় যুগের অন্যতম জনপ্রিয় এই নায়িকা। ২০০৫ সালে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘দুই নয়নের আলো’ ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাবনূর। অমর নায়ক সালমান শাহ’র সঙ্গে ১৪টি ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন তিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.