আরএমপি,র এএসআই শাওনকে বাগে আনতে,মিথ্যা অভিযোগ

0 ২০৬

স্টাফ রিপোর্টার: সেবার ব্রত কাধে নিয়েই পুলিশে যোগদান করেছেন এএসআই শাওন।এএসআই হিসেবে রাজশাহী নগরীর মতিহার থানায় যোগদানের পর থেকেই মাদক,সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ এবং চোরাচালান নিমূল সহ বিভিন্ন আরাধ দমনে সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এই চৌকস অফিসার এএসআই শাওন। যেখানেই মাদকের আনাগোনা সেখানেই হানা এই অফিসারের।এরই মধ্যে দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন এএসআই শাওন।

নগর পুলিশের মাদকবিরোধী,সন্ত্রাস এবং চোরাচালান নিমূলে বিশেষ অবদায় রাখায় হয়েছেন,পর পর দুইবার সেরা পুলিশ অফিসারও। আবার সেরা অফিসারের সম্মাননাটাও যেখানে লুফে নিয়েছেন তারই ঝুলিতে। অদম্য এই চৌকস অফিসার এএসআই শাওন নগরীর মতিহার থানায় কর্মরত আছেন। দায়িত্ব পালন করছেন থানার ওয়ারেন্ট অফিসাদের সাথেও। ধরেছেনও অনেক বড় বড় কূখ্যাত মাদক চোরাকারবারি আসামীদের।

নগরীর মতিহার থানাধীন এলাকায় বেশকিছু কুখ্যাত মাদক জোন রয়েছে, সে সকল মাদক কারবারি অপরাধীদের কাছে মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছেন এএসআই শাওন। সাঁড়াশি অভিযানে ভেঙে দিয়েছেন একাধিক অপরাধ সিন্ডিকেট। যাহার প্রমানও দিয়েছেন অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করার মধ্য দিয়ে।যাহাদের বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা। যেখানেই অপরাধীরদের আনাগোনা সেখানেই ফাটা কৃষ্টের মতো ঝাপিয়ে পড়েন এএসআই শাওন ও কনস্টেবল মিজান।

এএসআই শাওন মতিহার থানায় যোগদানের পর অনেক অপরধীরাই আত্বগোপনে চলে গেছে আবার কিছু অপরাধীরা আত্বঙ্কে থাকে এই বুঝি আসছে এএসআই শাওন দারোগা। আর এতেই টান পড়েছে কিছু অসাধু মাদক সিন্ডিকেট অপরাধীদের পাতে। মতিহার থানা থেকে এই চৌকস অফিসার ও কনস্টেবল মিজানকে সরাতে একের পর অভিযোগ দিচ্ছে পুলিশ সদর দফতরে। অভিযোগ পড়েছে নগর পুলিশ সদরেও।

কিন্তু দফায় দফায় বিভাগীয় তদন্তে এসব অভিযোগ থেকে এরই মধ্যে এএসআই শাওন অব্যাহতি পেয়েছেন বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন,এএসআই শাওন। তিনি বলেন,মতিহার থানাধীন এলাকার কিছু মাদক সিন্ডিকেটের কয়েক সদস্য তার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সুবিধা করতে না পেরে সে সকল মাদক কারবারিরা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অপপ্রচার করছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.