একটি চাকুরীর আসায় পড়ালেখা করছে মেরিনা ১৭ বছরেও জোটেনি মেরিনার প্রতিবন্ধির কার্ড ও সহায়তা

656

রাজশাহী অফিস থেকে : রাজশাহীর পুঠিয়ায় ১৭ বছরেও মেরিনার প্রতিবন্ধির কার্ড ও সহায়তা জোটেনি। তারপরেও থেমে মেরিনা খাতুন। হত দরিদ্রতার মধ্যেও স্বপ্নের একটি চাকুরীর আসায় পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে সে। মেরিনা এখন এইচএসসি’র ১ ম বর্ষের ছাত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের গোবিন্দনগর গ্রামের মমিনুর রহমানের মেয়ে মেরিনা খাতুন (১৭)। মেরিনার ২ ভাই রয়েছে। বাবা মমিনুর একজন দিনমুজুর। জন্ম থেকেই মেরিনা প্রতিবন্ধি। বর্তমানে সে পুঠিয়া ইসলামিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি’র ১ ম বর্ষের ছাত্রী। সে লেখাপাড়া শিখে চাকুরী করতে চায়। ভাগ্য চক্রে ১২ বছর বয়সে একই উপজেলার কান্দ্রা গ্রামের আমজাদ মন্ডলের ছেলে প্রতিবন্ধি বাবলু (৩০) এর সাথে বিবাহ হয়।

বিবাহের পর থেকেই স্বামী বাবুল কুমিল্লায় একটি হোটেলে কাজ করে। সেখানেই থাকে তার স্বামী। সে পড়ালেখা করার জন্য বাপের বাড়ি এসে থাকে। মেরিনা বাপের বাড়িতে এসে থাকায় কোন খরচই দেয়না তার স্বামীর পরিবার। দিনমুজুর পিতায় তার খরচ চালায়। বহুবার চেষ্ট করে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর চেয়ারম্যনদের বলেও প্রতিবন্ধির কার্ড পায়নি।
প্রতিবন্ধি মেরিনা খাতুন জানান, আমাকে এই পর্যন্ত প্রতিবন্ধির কার্ড বা সহায়তা করেনি। আমি লেখাপড়া করি কলেজ থেকে লেখাপড়ার জন্য সহায়তা করে। জিউপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন সরকার জানান, বিষয়টি আমার জানা নাই। আর কার্ড পরিমাণ সিমিত তাই সম্ভব হয়নি। তবে সমাজ সেবা অফিসারকে বলেছি। তিনি একটা ব্যবস্থা করবে।

পুঠিয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ওবাইদুর রহমান জানান, বিষয়টি আমার জানা নাই। সে যদি আমাদের কাছে আসে তাহলে বিষয়টি দেখবো।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে তারা একটি আবেদন করলে বিষয়টি আমরা দেখবো এবং তার সাথে সাক্ষাত করে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

x