কুড়িগ্রামের রৌমারীর চরাঞ্চলে মরিচের বাম্পার ফলন পেয়েছে চাষিরা

0 95

মাজহারুল ইসলাম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম ) প্রতিনিধি:  কুড়িগ্রামের রৌমারী নদী বেষ্টিত উপজেলার চরাঞ্চল গুলোতে এবার মরিচের বাম্পার ফলন পেয়েছে কৃষকরা। পাশাপাশি মরিচের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় পেয়েছে ভালো। এর সাথে ফলনও তুলানামূলক অনেক বেশি পাওয়াতে মরিচ চাষি কৃষকের মুখে মুখে আনন্দের হাসি। তারপরেও তারা বলছেন কয়েকদিন আগে মরিচের ভালোই দাম পাইছি। কিন্তু বর্তমান দাম একাবারেই কমে গেছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

 

যদি বাহিরের ক্রেতারা আসে তাহলে,আমাদের মরিচ গুলো ভালো দামে বিক্রি করতে পারতাম। সরেজামিনে গিয়ে কথা হয় মরিচ চাষি জয়নাল এর সাথে তিনি বলেন আমি দুই বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি ফলন খুবই ভালো পেয়েছি।এই অঞ্চলের মরিচ চাষি কৃষকরা জানান ৬০ শতকের বিঘায় একবিঘা জমিতে মরিচ পেয়েছি ১০০-১২০ মন পর্যন্ত।

 

এতে উৎপাদন খরচ হয়েছে বিঘা প্রতি ৩৫/৪০ হাজার টাকা। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে আয় হয়েছে বিঘা প্রতি দের লক্ষ টাকা। কিন্তু বর্তমান মরিচের বাজার কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে চাষিরা। তারা আরো ভলছেন যদি সরকারিভাবে পদক্ষেপ গ্রহন করতো তাহলে আরো লাভমান হতে পারতো মরিচ চাষি কৃষকরা। বন্দবেড় ইউনিয়নের মরিচ চাষি আকবর আলী,যাদুরচর ইউনিয়নের ফুলমিয়া,মজিবুর রহমান, জয়নালসহ আরো অনেকেই আগাম মরিচ চাষ করে সাবলম্বী হয়েছে বলে কৃষক সুত্রে জানা গেছে।

 

এছাড়াও অনেক দরিদ্র পরিবারের কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হয়েছে। মরিচ তোলা কয়েকজন মহিলার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এক মন মরিচ উঠাতে পারলেই তারা পাচ্ছেন ১৬০ টাকা। এসময় অভাব এবং অনাটনের সংসারে এই একশত শাট টাকাই তাদের কাছে অনেক কিছু বলে তারা জানান।

 

মরিচ চাষে সাবলম্বী কৃষকের বিষয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন বলেন এবার আবহাওয়া অনকুল ভালো থাকায়
বাম্পার ফলন পেয়েছে চরাঞ্চলের মরিচ চাষি কৃষকরা। কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন এবার রৌমারীতে ১৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে মোটামাটি কৃষকরা লাভমান হয়েছে।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x