কুড়িগ্রামের রৌমারীর জরাজীর্ণ জনপদে ৬০টি বাশেঁর সাকোঁ খুড়িঁয়ে চলছে আড়াই লাখ মানুষের জীবনযাত্রা দেখার যেন কেউ নেই

3

মাজহারুল ইসলাম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: পথে পথে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন কুড়িগ্রামের রৌমারীর ৬০টি গ্রামে একমাত্র ভরসা ৬০টি বাঁশের সাঁকো কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ভারতীয় সীমান্ত এলাকার প্রায় গ্রামের রয়েছে বাশেঁর সাকোঁ প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুকি নিয়ে নদী পাড়াপার হচ্ছে তারা।

যুগ যুগ ধরে ব্রীজের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ অসহায় মানুষ গুলো । নিজস্ব অর্থায়নে তৈরী করা বাঁশের সাকোঁই তাদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।

দেশ স্বাধিনের ৫০টি বছর অতিবাহীত হলেও কুড়িগ্রামের রৌমারীর মানুষের আজও যেন ঘুরছে না ভাগ্যের চাক্কা। যেদিকে তাকাই শুধুই জরাজিণঁ জনপদ। গ্রামীণ রোডে, দেখা যায়, নিজের হাতে গড়া শতাধিক বাশেঁর সাকোঁ। ওই সাকোঁই যেন চিরস্থায়ী সংযোগে পরিনত হয়েছে।

ওই উপজেলাটির ২০১১ সালের আদম শুমারির তথ্য অনুযায়ী জনসংখ্যা দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪১৭ জন। এখানে পুরুষের সংখ্যা ৯৫ হাজার ৭৮৩ জন। মহিলার সংখ্যা ১ লাখ ৬৩৪ জনসহ সর্বমোট ১৯৬৪১৭জন। তাদের তথ্যমতে উপজেলায় রয়েছে ১৯৮টি গ্রাম রয়েছে।

এই পরিসংখ্যান তৈয়ারী এবং জরিপ কিন্ত ২০১১ সালে করা হয়েছিল, এখন কিন্তু প্রায়ই ২০২২ সালের কাছাকাছি বর্তমান জরিপ করলে আনুমানিক জরিপে দেখা যায় আড়াই লক্ষ মানুষের বসবাস রয়েছে। আদম শুমারির জরিপে আরও জানা গেছে খানা সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৪৬ হাজার ৮৭১ টি।

উপজেলার মোট আয়তন ৪৮ হাজার ৬৮৯ একর জমি মাত্র। এখানকার জনসাধারনরা বলছে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় উন্নয়নের জোয়ার বইছে আর এখানে কি সমস্যা যে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনা।

এমনটি বলছেন রৌমারী উপজেলার কৃষির উপর নির্ভরশীল খেটে খাওয়া মানুষ গুলো। তাদের দাবী একটাই রোড ঘাটের উন্নয়ন চাই। আমরা রৌমারীর মানুষ ভিখ্যা চাইনা যাতয়াতের গ্রামীণ সড়ক গুলোর সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক ইটাই আমাদের চাওয়া পাওয়া আর কিছু চাইনা।

আর এখানে একটি মাত্র ডিসি রোড তাও আবার জরাজীর্ণ ৩০ মিনিটের স্থলে সময় লাগে দের ঘন্টা। এমতাবস্থায় জীবনযাপন করছেন রৌমারী উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষ।

এবিষয় রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা জুবায়ের হাসান বলেন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক বন্যার ¯্রােতে ভেঙ্গে গিয়ে বিছিন্ন হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এবিষয় উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে তালিকা করে পাঠানো হয়েছে বরাদ্দ আসলেই সংস্কার করা হবে।

x