গুড়ায় রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই চলাচল অনুপযোগী

১৬১

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় দেড় কিলোমিটার ইটের সলিং রাস্তার কাজে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার ও শেষ না হতেই চলাচল অনুপযোগী হয়ে উঠার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাস্তাটি চৌকিবাড়ি ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডের কাদের ও মেসেরের এর বাড়ী হইতে রুদ্রবাড়ীয়া ব্রীজ অপর দিকে জোড়া ব্রীজ হইতে হিন্দুপাড়া পর্যন্ত। এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার কাছে গত ২০ জুন একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের ৭নং ওর্য়াডের কাদের ও মেসেরের বাড়ি হইতে রুদ্রবাড়িয়া ব্রীজ ওপর দিকে জোড়া ব্রীজ হইতে হিন্দুপাড়া পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার ইটের সলিং রাস্তার জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের প্রকল্পধীন ৮৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। প্রকল্প অনুযায়ী রাস্তাটিতে ১৫০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থ নির্মানের কথা থাকলেও প্রকল্পের ঠিকাদার নিজের ইচ্ছামত নিম্নমানের ইট বালু দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করছেন। তাছাড়া রাস্তার দু’পাশে কোন প্রকার ওয়াল নির্মাণ করেন নাই ও রাস্তার পানি নিরসনের জন্য ঢালু না করায় উক্ত রাস্তা টি এখনই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

রাস্তার কাজে অনিয়ম নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সোরাপ হোসেন, শিপন শেখ, সজল মাহমুদ, কাদের, মুতালিব, রহিম, চান মিয়া, শাহিন আলম, নাসিম, বাদশাসহ আরো অনেকে বলেন ঠিকাদার কে বললে তিনি কোন কর্ণপাত না করে উল্টা আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি দেখিয়ে চুপ থাকতে বলেন। পরে আমরা স্থানীয় লোকজন পরামর্শ করে রাস্তা নির্মাণের কাজ অনিয়মের প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।

ওই কাজের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শেরপুরের হিমেল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম রাঞ্জু বলেন, প্রকল্পের চুক্তিমতেই ভালমানের কাজ করা হচ্ছে, এক্ষেত্রে কোন অনিয়মের প্রশ্নই আসেনা। তদারকি কর্মকর্তা দেখলেই বুঝতে পারবে।
সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাসানুল করিম পটু বলেন, ওই প্রকল্পের কাজে কোন অনিয়ম চোখে পড়ছে না, তবে বৃষ্টির কারণে একটু ডেবে যাচ্ছে তা ঠিকাদার ঠিকঠাক করে কাজ জমা দিবে বলে জেনেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আলিম জানান, প্রকল্পকাজ শেষই হয়নি, কিভাবে অনিয়ম হয়, বুঝতে পারছিনা! বিষয়টি সরেজমিনে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দিয়েছেন, তবে ওই প্রকল্প কাজে যদি কোন অনিয়ম হয় তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments are closed.