চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনও দরকার নেই: কৃষিমন্ত্রী

117

বিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম: চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের দরকার নেই বলে মন্তব্য করে কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘চালে বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনও প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল রয়েছে। চাল নিয়ে কারো কোনও উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। চালের বাজার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।’

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সেচ ভবনে সরাসরি কৃষকের বাজারজাতকৃত সবজির হাট ‘কৃষকের বাজার’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তবে মন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্য যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় সেটা আলাদা বিষয়। এখন আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন, কৃষক যাতে তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়। খামারে যারা কৃষিকাজ করে তারা যেন সঠিক মূল্য পায়। এটিও আমাদের দেখতে হবে।’

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মোটা চালের বিক্রি করতে পারি না। ওএমএসের গাড়ি যায়, তারা চাল বিক্রি করত পারে না, ডিলাররা এক টনও চাল তুলছে না। কোনও গ্রাহক নেই। মোটা চাল খারাপ তো কিছু না! পৃষ্টির দিক দিয়েও ভালো, তারপরও সবাই সরু চাল খাবে, চিকন চাল খাবে।’ব্রেকিংনিউজ

সরকার কৃষকদের ন্যায্যমূল্য দেয়ার ব্যবস্থা করে দাবি করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এক মান ধান উৎপাদনে লাগে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। সেটা যদি ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে হয় তারা করবে? করবেনা। এবার ৭০০ টাকা হয়েছে এটা আমাদের জন্য, বাংলার লক্ষ লক্ষ কৃষকের জন্য, যাদের ৫০ ভাগের জীবিকা এখনও কৃষি। তাদের ন্যায্যমুল্য দিতে হবে।’

বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় কৃষক পর্যায়ে ছোট ছোট পেঁয়াজ উঠিয়ে ফেলায় সরকারও উদ্বিগ্ন বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পেঁয়াজ এখনো বড় হয়নি। আরও অনেক বড় হওয়া দরকার। আমরা এটা নিয়েও শঙ্কিত আছি। সব ছোট ছোট পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছে। জানুয়ারি মাসে কী উপায় হবে?’

পেঁয়াজের উৎপাদন তো কমে যাবে। এ বছর পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় আগামী বছর দেশে অনেক বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হতে পারে বলে ধারণা করছেন বলেও জানান তিনি। এতে কৃষক পরবর্তী বছর পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাবে কিনা তা নিয়েও শঙ্কা জানান তিনি।

 

x