ঠাকুরগাঁওয়ে শিকলে বন্দি ২০ বছর

0 89

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:  ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে শিকলে বন্দি হয়ে ২০ বছর ধরে জীবনযাপন করছেন মুক্তারুল (৪০)।  মুক্তারুরের বাড়ি জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ১১নং বৌরচুনা ইউনিয়নের ভবানীপুর সল্লাপাড়া গ্রামে।

 এক ছেলে সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তার স্ত্রী নাসেরা বেগম।  তারা এখন পর্যন্ত পায়নি কোন সরকারি সহায়তা। ২০বছর বয়সে হঠাৎ করেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে মুত্তারুল। এরপর চিকিৎসা করা হলে কিছুদিন সুস্থ থাকার পর আবার আগের মতো অসুস্থ হয়ে পড়েন। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে আর চিকিৎসা করা সম্ভব হয়ে উঠেনি মুক্তারুলের।

বর্তমানে তার বয়স ৪০ বছর আর ২০ বছর ধরে পায়ে শিকল দিয়ে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে বারান্দার খুঁটির সাথে। কিন্তু অর্থের অভাবে এক সন্তানকে নিয়ে করুন অবস্থায় দিন কাটছে তার স্ত্রী নাসেরা বেগমের।

স্ত্রী নাসেরা বেগম অন্যের খেত খামারে দিনমজুরের কাজ করে চলান সংসার।

তার স্ত্রী নাসেরা বেগম জানান, অর্থের অভাবে আমার স্বামী চিকিৎসা করতে পারছি না। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় গত কয়েক বছর থেকে সে এলাকাবাসী মানুষদের বিভিন্ন ক্ষতি করে আসছে। এ কারনেই পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে তাকে।

এ বিষয়ে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য মাসুমা খাতুনের বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন মুক্তারুল তার পরিবার খুব গরিব তাদের পাশে এগিয়ে আসা উচিত, আমি যত দুর পেরেছি সহায়তা করেছি।

পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, মুক্তারুল দীর্ঘদিন ধরে শিকলে বন্দি। চিকিৎসা করিয়ে তাকে সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু এর জন্য টাকার দরকার। তার পরিবারের চিকিৎসা করানোর সমার্থ নেই। আমি তাকে সহায়তা করতে পারিনি।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x