‘দেশকে জেতাতে পারলে বেশি ভালো লাগে’

0 181
স্পোর্টস ডেস্ক: ক্যারিয়ারের শুরুতে যে আশার মশাল জ্বালিয়েছিলেন সৌম্য, সেটি নিভে যেতে বসেছিল। রানখরায় ছিলেন জাতীয় দলে আসা-যাওয়ার মধ্যে। অবশেষে চট্টগ্রামে পাওয়া গেল সেই হারিয়ে যাওয়া সৌম্যকে।জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে একাদশেও সুযোগ পেয়ে যান সৌম্য। তবে পছন্দের ওপেনিং পজিশন নয়, সৌম্য খেলেছেন তিনে।

লিটন দাস ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হওয়ায় আসলে ওপেনারের দায়িত্বই পালন করতে হয়েছে সৌম্যকে। সেটা করেছেন একেবারে নিঁখুতভাবে। দ্বিতীয় উইকেটে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ২২০ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন সৌম্য।

এই জুটির পথে সেঞ্চুরিও তুলে নেন সৌম্য। সেটা মাত্র ৮১ বলে। শেষ পর্যন্ত ৯২ বলে ১১৭ রানে থামে সৌম্যর চোখ ধাঁধানো ইনিংসটি, যে ইনিংসে ৯টি চারের সঙ্গে ৬টি ছক্কা হাঁকান এই ওপেনার। এ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ২৮৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৭ উইকেটের বিশাল জয় পায় বাংলাদেশ। আর এই জয়ে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করেছে টাইগাররা।

দুর্দান্ত এই ইনিংসের কারণে ম্যাচসেরার পুরস্কারটিও গেছে সৌম্যরই কাছে। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সৌম্য বলেন,‘অবশ্যই বাংলাদেশের হয়ে ভালো একটা ম্যাচ খেলতে পারলে, ম্যাচ জেতাতে পারলে, বেশি ভালো লাগে। অনেক দিন পরে দেশের হয়ে ভালো একটা ইনিংস খেললাম খুবই ভালো লাগছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুরুতে যখন জিম্বাবুয়ে ব্যাট করছিল, কভার অঞ্চলে ফিল্ডিং করছিলাম। তখনই ভেবেছিলাম, আজ উইকেট অনেক ভালো। তাই যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছি, চেষ্টা করেছি শেষ পর্যন্ত থাকার।’

নিজের বাজে সময়ের গল্প বলতে গিয়ে সৌম্য বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় আমি বাইরের কথা বেশি শুনতাম। ফেসবুকটা যখন ব্যবহার করতাম, তখন নেতিবাচক মন্তব্যগুলো আসতো অনেক, যা মাথায় গেঁথে যেত। মানুষ ইতিবাচক জিনিসটা লিখেও না, পড়েও না। এমন এক একটা হেডলাইন আসত, যেন আমি সবই খারাপ করেছি। আর আমরা বাংলাদেশিরা হেডলাইনটাই বেশি পড়ি।’

পরে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করব ভেবেছি। নেতিবাচক জিনিসগুলো কম নিবো, মানুষের সাথে কথা কম বলব। শুধু ইতিবাচক জিনিস নিয়েই বেশি ভাবার চেষ্টা করেছি। অনুশীলনও কম করতাম তখন। যখন খারাপ যায় তখন সবই খারাপ যায়, ভালো করলেও খারাপ হয়। একটু বন্ধুদের সাথে বেশি সময় কাটাতাম সেই সময়ে।’

বিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x