দেশে যক্ষারোগীর সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়েছে

0 282

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশে বর্তমানে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৬ জন। যার মধ্যে শিশু যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে ১১ হাজার ৩৫২ জন। এমনটিই জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্রাক (বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি)।

শনিবার (২৩ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হো‌সেন মা‌নিক মিয়া হলে ‘বিশ্ব যক্ষা দিবস ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ২০১৮ সালের গ্লোবাল টিবি রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে দেশে এমডিআর যক্ষারোগীর সংখ্যা ১২৪০ জন। বাংলাদেশে প্রতি বছর লাখে ২২১ জন নতুন করে যক্ষ্নায় আক্রান্ত হয় এবং ৩৬ জন মারা যান। তাই এই রোগ নির্মূলে জনসাধারণের সচেতনতার পাশাপাশি অত্যাধুনিক জিন-এক্সপার্ট মেশিনের সংখ্যা ও ব্যাবহার বাড়ানো উচিত। পাশাপাশি জনগণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

একসময় যক্ষাকে নিয়ে যে ভয় ছিল সেই ভয় অনেকটাই কেটে গেছে উল্লেখ করে বক্তারা যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন। এগুলো হলো- চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত হাসপাতাল না থাকা, দক্ষ স্টাফের স্বল্পতা, চরাঞ্চল সহ দূর্গম জায়গায় সহজে চিকিৎসা সেবা দিতে না পারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম বলেন, যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকার ২০৩৫ সালের মধ্যে সরকার যক্ষ্মা রোগের মৃত্যুর হার ৯৫ শতাংশ ও প্রকোপের হার ৯০ শতাংশ কমিয়ে আনতে চায়। এ লক্ষে সরকার জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সঙ্গে ব্রাকসহ ২৫টি বেসরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডেমিয়েন ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর অং কাই জাই মগ, ব্র্যাকের কমিউনিকেশন ডিজিজেস কর্মসূচির পরিচালক ড. মো. আকরামুল ইসলাম ও সহযোগী পরিচালক ডা. মাহফুজা রিফাত, আইসিডিডিআরবি’র প্রতিনিধি ডা. সায়রা বানু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,যক্ষ্না বা টিবি একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। মাইক্রোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামের একটি জীবানু এ রোগের জন্য দায়ী। এ জীবানু মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে। কফ, হাঁচি, কাশির মাধ্যমে যক্ষ্নার জীবাণু একজন থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়ায়।সূত্র: ‌ব্রে‌কিং‌নিউজ/

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x