নওগাঁর সাপাহারের রসালো ল্যাংড়া ও স্বাদে ভরা হিম সাগর আম কেনাবেচায় জমে উঠেছে

0 91

রায়হান আলম, নওগাঁ : নওগাঁর সাপাহার উপজেলা সদরে রাস্তার দু’পার্শ্বে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কয়েক শ’ আমের আড়ৎ এখন বরেন্দ্র ভুমিতে উৎপাদিত সুমিষ্ট রসালো ফল হিমসাগর ও ল্যাংড়া আমের বেচাকেনায় জমে উঠেছে মোকাম গুলোতে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

মধুমাসের চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই দেশের এ সর্ববৃহৎ আমের মোকামে সাপাহারে গুটি, গোপালভোগ, খিরশাপাতি, হিমসাগর ও ল্যাংড়া আম ব্যাপক হারে আমদানী হতে দেখা গেছে। স্থানীয় ভাবে সাপাহার উপজেলাসহ আশে পাশের সকল উপজেলায় আম বাগান তৈরী হওয়ার কারনে এখানে আমের বৃহৎ মোকাম গড়ে উঠেছে।

দেশের রাজধানী ঢাকাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শত শত আম ব্যবসায়ী এখানে এসে আমের আড়ৎ খুলে প্রতিদিন হাজার হাজার মন আম কেনা বেচা করছে। বিশেষ করে সরকারী ভাবে আমের বাজার নিয়ন্ত্রনে চলতি বছরে গাছ থেকে আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করে দেয়ার কারনে আড়ত গুলোতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পরিপক্ক আম আমদানী করা হচ্ছে। বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার রোধে প্রশাসনের কঠোর ভুমিকা থাকায় ফরমালিন মুক্ত আম এই এলাকায় উৎপাদন ও বাজারজাত অব্যাহত রয়েছে। সাপাহারে উৎপাদিত হিমসাগর, ল্যাংড়া আমের কারেন দেশের সর্বস্তরের মানুষের নিকট এ উপজেলা ইতিমধ্যে বিশেষ ভাবে বানিজ্যিক শহর নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বর্তমানে দেশের সর্ব বৃহৎ এ আমের মোকামে প্রতিদিন যে পরিমান আম আমদানী ও কেনা বেচা হচ্ছে তাতে রুপালী আম বাজারে আসলে মোকামের চিত্র অনেকটাই পাল্টে যাবে বলে ও আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শ্রী কার্তিক শাহা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলার সদরের বাগান মালিক ভাগপারুল গ্রামের আনোয়ার, সেলিম, জবাই গ্রামের সেলিম, শিতল ডাঙ্গা গ্রামের কামরুল ইসলাম, কাশিতারার এনামুল হক, হাসান আলীসহ বেশ কয়েকজন বাগান মালিকের সাথে কথা হলে তারা জানান যে, ধান চাষের চেয়ে আম চাষে অনেকেই অর্থনৈতিক লাভবান হওয়ায় কৃষকরা আম বাগান ঝুকছে তারা। বর্তমানে আবহাওয়া আমচাষীদের অনুকুলে থাকায় আমের বাজার দর ভালো আছে। এখন প্রতিমন ল্যাংড়া আম বিক্রি হচ্ছে ২২শত থেকে ২৬শত টাকা, খিরশা ও হিমসাগর আম বিক্রি হচ্ছে ২৫শ থেকে ৩হাজার টাকা মণ। তবে আম্রপালী আম ব্যাপক উৎপাদন হওয়ায় এবার শেষ দিন পর্যন্ত দাম সহনিয় পর্যায় থাকবে বলেও আড়ৎদার ও বাগান মালিক গণ জানান।

জেলা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় ২৫ হাজার ৪ শত হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার উন্নত জাতের আম চাষ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসেব মতে প্রতি হেক্টর জমিতে ১২ মে:টন আম উৎপাদন হয়। প্রায় সাড়ে ৩ লাথ মেট্টিকটন আম উৎপাদন হবে যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ১২শত কোটি টাকা। প্রতি বছর আমের মৌসুমে আম ব্যবসা ও বাজারজাত করনে এলাকার হাজার হাজার শ্রমজীবি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বৃহত্তর এই আমের মোকাম ও উৎপাদিত আমের কারনে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে উপকৃত হচ্ছে। অপর দিকে সর্ব বৃহৎ এ আমের মোকামের আড়ৎদার, আম ব্যবসায়ী, আম চাষি ও বাগান মালিকদের সকল প্রকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করনে প্রতিদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।#

 

ধামইরহাটে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসি’র মতবিনিময়

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ধামইরহাটে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত অফিসার ইনচার্জের এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ধামইরহাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আব্দুল মমিন এর অফিস কক্ষে ধামইরহাট প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুুুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহবুব আলম, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক, ধামইরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক আব্দুল্লাহ হামিদী, সন্তোষ কুমার সাহা, আবু হেনা মোস্তফা কামাল বাবু, হারুন আল রশীদ, এসএম মাসুদুর রহমান, মাসুদ সরকার, রেজুয়ান আলম, আশিক আহমেদ রাজু, মোস্তাফিজুর রহমান, আকরামুল হক প্রমুখ। এর আগে ধামইরহাট থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রঊফ ও সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম বদিউল আলমের নেতৃবৃন্দ নবাগত অফিসার ইনচার্জকে ক্রেষ্ট দিয়ে বরণ করে নেয়। মত বিনিময় সভায় ওসি মো. আব্দুল মমিন বলেন, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশ কোন কাজ করতে পারে না। সকলের সহযোগিতা পেলে ধামইরহাট উপজেলাকে মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x