নিয়ামতপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত শিক্ষকদের স্মরণে শোক সভা

২৩৬
নিয়ামতপুর(নওগাঁ) প্রতিনিধি : গত ২৪ জুন নওগাঁতে ট্রেনিং নিতে যাওয়ার সময় রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের বাবলাতলীতে সিএনজি ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জনের মধ্যে চারজন শিক্ষকসহ সিএনজি চালক প্রাণ হারান।একজন শিক্ষিকা আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উপরিুক্ত সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারানো চার শিক্ষকের স্মরণে নওগাঁর নিয়ামতপুরে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার সকাল ১১ টার পরে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এবং উপজেলা শিক্ষক সমিতির সহযোগিতায় এ শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি  হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ বলেন, এত বড় দূর্ঘটনা আগে কখনও ঘটে নি। একসঙ্গে পাঁচটি তাজা প্রাণ ঝরে গেল। এটা খুবই মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। দূর্ঘটনার খবর শোনার পরপরই আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। যতটা দ্রুত সম্ভব ময়নাতদন্ত শেষ করে স্বজনদের হাতে লাশ তুলে দেওয়া এবং দাফনের ব্যবস্হা করেছি। সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মকবুল হোসেনের কথা বলতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারানো কোন সদস্যের পড়াশোনার খরচ নিয়ে সমস্যা হলে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সড়কে এভাবে আর কোন শিক্ষক যেন প্রাণ না হারায়। তিনি নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানান। সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসাইন মন্ডল, নাদিরা বেগম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস সালাম, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) মমতাজ হোসেন, একাডেমিক সুপারভাইজার জাকির হোসেন, এলজিইডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, শিক্ষক সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম, সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম এবং বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ।
 সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, উপজেলার বেলগাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মকবুল হোসেন, পানিহারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন, গুজিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জান্নাতুন ফেরদৌস, রামকুড়া মাদ্রাসার শিক্ষক লেলিন সরকার এবং সিএনজি চালক সেলিম হোসেন।

Comments are closed.