পুঠিয়াতে ইউএনও,র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো দশম শ্রেনীর ছাত্রী

592

thumb1111-phpমোহাম্মাদ আলী, রাজশাহী অফিস : রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নের বড় ধাদাশ গ্রামে দশম শ্রেনীতে পডুয়া এক ছাত্রী বাল্যবিয়ে থেকে উদ্ধার। নাবালিকা সুবর্ণা (১৫) উপজেলার বড় ধাদাশ গ্রামের এনামুল হক এর বড় মেয়ে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযান চালিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, পুঠিয়া উপজেলার বড় ধাদাশ গ্রামের এনামুল হক এর বড় মেয়ে দশম শ্রেনী পুডুয়া ছাত্রী সুবর্ণা (১৫) এর গত বুধবার গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান হয়। বৃহস্পতিবার বৌভাত অনুষ্ঠান চলছিলো। নাবালিকার সঙ্গে পুঠিয়া উপজেলার ঝালুকা গ্রামের আবুতালেব এর সঙ্গে বৌভাত অনুষ্ঠান এর আয়জন চলছিল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরুজ্জামান অভিযান চালিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ সরকার বাল্যবিয়ে বন্ধে বদ্ধপরিকর। এর পরিপ্রেূূক্ষিতে উপজেলার বড় ধাদাশ এলাকার এনামুল হক এর বড় মেয়ে দশম শ্রেনী পডুয়া ছাত্রীর বিয়ের আয়জন করা হয়েছিল এমন গোপন সংবাদ পেয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে  অভিযান পরিচালনা করে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করা হয়। এবং তাদের পরিবারের সদস্য দের সাবধান করা হয়। এসময় বিয়ের অনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে বন্ধ করার জন্য জেল জরিমানা থেকে রক্ষা পায় মেয়েটির পরিবারের সদস্য ও বর পক্ষের লোকজন। উপজেলায় কোন নাবালিকা মেয়ের বিয়ে দেয়ার চেস্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নিতে আমরা সজাগ। এখন পর্যন্ত উপজেলায় কোন বাল্যবিয়ে হয়নি হতে দেয়া হবেনা বলে জানান তিনি।

x