প্রিয়াঙ্কাকে অন্তর্বাস দেখাতে বাধ্য করেন পরিচালক

0 123

বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া নিজের লেখা আত্মজীবনীমূলক বই ‘আনফিনিসড’ প্রকাশ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে নায়িকা থেকে লেখিকা হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ হয়েছে। নিজের জীবন, দুঃখ-কষ্ট, চাওয়া-পাওয়া, পিতৃতান্ত্রিক সমান ও পক্ষপাতিত্বের নানা বিষয় উঠে এসেছ বইটিতে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ভারতের ছোট্ট এক শহরের মেয়ে থেকে বলিউড পেরিয়ে হলিউডে যাত্রার দিনগুলোও প্রিয়াঙ্কা তুলে এনেছেন বইয়ে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বলিউডে বিভিন্ন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও তিনি লিখেছেন।

জুমের রিপোর্ট অনুযায়ী, আবেদনমীয় একটি গানে শ্যুট করার সময় প্রিয়াঙ্কাকে এক এক করে তার পোশাক খুলতে হতো। গানটা বড় হওয়ায় পিসি পরিচালককে জিজ্ঞাস করেছিলেন যে, বেশি পোশাক পরবেন কিনা, যাতে সহজে তার শরীর দেখা না যায়।

প্রিয়াঙ্কা বইয়ে লিখেন- ‘পরিচালক জানান তিনি স্টাইলিস্টের সঙ্গে আগেই কথা বলে রেখেছেন এবং দৃশ্যের ব্যাপারে বুঝিয়ে দিয়েছেন। নায়িকার পাশে দাঁড়িয়ে পরিচালক বলেন- ‘যাই হয়ে যাক, অন্তর্বাস দেখানোটা খুব প্রয়োজন। নয়তো দর্শক কেন ছবি দেখতে আসবে?’

ওই সাহসী দৃশ্যটি করতে আপত্তি ছিল না প্রিয়াঙ্কার। কিন্তু পরিচালক যেভাবে বলেছেন, বলার ধরনে তার মনে হয়েছিল, পরিচালক তাকে অগ্রহণযোগ্য গণ্য করছেন। তাই পরের দিনই তিনি ছবিটা থেকে বেরিয়ে আসেন। এমনকি ছবিটি হাতছাড়া করার পর প্রিয়াঙ্কা অন্য একটি শুটিং সেটে সেই পরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে, তার সহ-অভিনেতা সালমান খানকে সেসময় বিষয়টির সুরাহায় হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল।

অন্য আরেকটি অভিজ্ঞতার কথা বইটিতে তুলে ধরে প্রিয়াঙ্কা লিখেন- ২০০০ সালে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জেতার পর প্রথম ছবির অডিশন দিতে গিয়ে বিব্রতকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাকে। তখন কিছু আলাপনের পরই পরিচালক ও প্রযোজক প্রিয়াঙ্কাকে একপাক ঘুরতে বলেন। তিনি সেটা করেন। এরপর সেই ভদ্রলোক প্রিয়াঙ্কার দিকে রূঢ় দৃষ্টিতে তাকান। এমনকি তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যও করেন। শরীর নিয়ে নানা অশালীন কথা বলেন।

ওই পরিচালক তখন অভিনেত্রীকে বলেন, নায়িকা হতে গেলে ফিগার, বক্ষদেশ ও নিতম্বের বিষয়ে নজর রাখতে হবে। এমনকি প্রিয়াঙ্কাকে লস অ্যাঞ্জেলসে চিকিৎসকের খোঁজও দেখিয়ে দেন সেই পরিচালক তথা প্রযোজক।

বইটি সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘জীবনের মানবিক দিকগুলো ও তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলেছি। আমি ছোট এক শহরের মেয়ে। কিন্তু আমার স্বগ্ন ও আকাঙ্ক্ষাগুলো কখনোই ছোট ছিল না। পাঠকরা বইটি পড়ে নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাগুলোর মধ্য দিতে অবগাহন করতে পারবে।’

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x