‘প্রোডিউসাররা জোর করতো অশ্লীল পোশাক পরার জন্য’

0 26

বিনোদন ডেস্ক: ঢাকাই ছবির এক সময়ের ঝড় তোলা নায়িকা মুনমুনকে অশ্লীলতার অভিযোগ চলচ্চিত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হয়েছিল। প্রায় ৯০টির মতো ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। কিন্তু হঠাৎই তাকে সরে যেতে দেখা যায়। পরে জানা যায়, অশ্লীলতার অভিযোগ নিয়ে রুপালি পর্দা থেকে সরে গেছেন এই ঢাকাই নায়িকা।

আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ময়ূরীর সাথে আমার নামটা জুড়ে দিয়ে একইসাথে দুজনকে অশ্লীল নায়িকা হিসেবে কথা বলেন সকলে। আমার দুঃখের জায়গা হলো এটা যে আমাকে অশ্লীল নায়িকা হিসেবে অভিযুক্ত করেন। আমি সিনেমায় ফিরতে চেয়েছি আমাকে ফিরতে দেওয়া হয়নি। আমি টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করতে চেয়েছি আমাকে কেউ নেয়নি। বাধ্য হয়ে আমি সার্কাসে যোগ দিয়েছি। এখন সার্কাস আমার প্রধান পেশা, ভালোবাসা।

মুনমুন বলেন, ‘আমাদেরকে ডিরেক্টর প্রোডিউসাররা জোর করাতো সংক্ষিপ্ত পোশাক পরানোর জন্য। আমরা তো বাসা থেকে কাপড় নিয়ে যাই না। ওরা যেটা পরতে বলতো সেটাই পরতে হতো। এক সময়ে এভাবে না চলতে পেরে চলে আসি। ২০০৩ সাল আমার চলচ্চিত্রের শেষ বছর। এরপর আমি বিয়ে করে ইংল্যান্ড চলে যাই। ভেবে দেখলাম, সম্মান থাকতেই কেটে পড়া উচিত।’

রাজধানীর উত্তরাতে সালাম ও সালমান নামের দুই সন্তানকে নিয়ে সুখের বসবাস মুনমুনের। বড় ছেলে যশ রাজধানীর একটি স্কুলে স্ট্যান্ডার্ড সেভেনে পড়েন, ছোট ছেলে শিবরাম কেজি টু-তে পড়েন। স্বামী মীর মোশাররফ হোসেন ব্যবসার সাথে যুক্ত।

চিত্রনায়িকা মুনমুন ১৯৯৬ সালে মৌমাছি সিনেমার মাধ্যমে ঢাকাই ছবিতে অভিষিক্ত হন। এতে তিনি পার্শ্বনায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন। ‘টারজান কন্যা’ নামের একটি ছবির মাধ্যমে প্রধান নায়িকা হিসেবে অভিষিক্ত হন। এরপর রানি কেন ডাকাত, মৃত্যুর মুখে, টারজান কন্যাসহ অসংখ্য ব্যবসাসফল ছবি করেছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.