ফৌজদারী শহর রক্ষা বাঁধটি ভেঙ্গে হঠাৎ করে ৩ হাজার পরিবার পানি বন্দি

0 28

মাজহারুল ইসলাম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বাঁধ কতৃপক্ষের গাফলাতিতে শেষ রক্ষা হয়নি ফৌজদারী শহর রক্ষা বাঁধটির । প্রায় মাসাধিব কাল থেকে ব্রহ্মপুত্রের পানি ও পাহাড়ী ঢলের চাপে বাঁধের পশ্চিম পাশ্বে কানায় কানায় ভরে থাকে । মাঝে মধ্যে পানি কমলেও বাঁধটি ঝুকিপূর্ণ রয়ে যায়। ফৌজদারী রেড়ীবাঁধটি রৌমারী শহর রক্ষার গুরুত্ব পুর্ণ বাঁধ। ব্রহ্মপুত্রসহ ১৫টি নদ-নদীর পানি বর্ষা মৌসুমে বিপদসীমা অতিক্রম করে। যে বাঁধটির কারনে রৌমারী উপজেলা শহরটি সুরক্ষিত হয়ে থাকে ।

গত বছর বাঁধটি কোন প্রকার মেরামত না করার কারনেই বাঁধটিতে ছোট বড় খানা খন্দের সৃষ্টি হয়। এব্যাপারে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বাঁধটি সুরক্ষার জন্য সংবাদ প্রকাশিত হলেও,কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এদিকে কয়েক দিনের টানা বর্ষনে নদ-নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধটি হুমকির মুখে পড়ে। গতকাল সন্ধার দিকে বন্দবেড় ঈদগাহ মাঠের দক্ষিনে  প্রায় ১০ ফিট বাঁধ ভেঙ্গে তিব্র বেগে পানি উপজেলা শহরে প্রবেশ করে।

যারফলে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী-বেসরকারী অফিসসহ উপজেলার প্রায় ৩লাখ মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। পানি বন্দি মানুষ গুলো বাড়ি ঘর ছেড়ে উচু রাস্তার, বিভিন্ন উপায়ে গরু, ছাগল, হাস-মুরগী নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এব্যাপারে পানি বন্দি ফজলুল হক, শফিকুল , রাজ, হেলাল, মন্জু বলেন হঠাৎ বাড়ীতে পানী এবং-মুর্হুতেই ঘরে পানি। পানি উঠার ফলে সরকারী সড়কে মানবেতর জীবন যাপন করছি।

বিশুদ্ধ পানি শুকনা খাবার মোমবাতি জরুরী প্রয়োজন । গতকাল পানির প্রচন্ড চাপে,রৌমারী সদর রক্ষা বাধ ভেঙ্গে প্রায় তিনহাজার পরিবার কোনমতে সবকিছু রেখে প্রানে বেচে যায়।  এব্যাপারে মোখলেচুর রহমান , তোফাজ্জল হোসেন, রবিউল, জয়নাল, জহুল, হাফিজ জানান, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের প্রচন্ড চাপে বাঁধ ভেঙ্গে আমাদের দোকান ঘর মালামালসহ ভাঙ্গনের কবলে গভীর খাদে নিমর্জ্জিত হয়। একেত করোনায় নরেবরে, জীবনযাত্রা, বন্যায় করলো সর্বনাশ। ওয়ার্ড মেম্বর লাল মিয়া জানান বেড়ীবাধটি ভেঙ্গে হঠাৎ করে ঘরে পানি কোন কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার প্রতিটি বাধ ভেঙ্গে রৌমারী প্রায় দুই লাখ মানুষ পানি বন্দি এবিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাদের দোকানপাট বাঁধ ভাঙ্গনের কবলে তলিয়ে গেছে তাদের জন্য ত্রাণের ব্যাবস্থা করা হবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান জানান উপজেলার প্রায় অংশেই বন্যা হয়েছে এবং প্রতিদিনই যেকোন সমস্যা হচ্ছে আমরা সর্বাক্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.