বেইজিং অলিম্পিকস : কূটনৈতিক বয়কটের কথা ভাবছেন বাইডেন

11
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আগামী বছর চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে হতে যাওয়া শীতকালীন অলিম্পিক গেইমসে মার্কিন কূটনৈতিক বয়কটের বিষয়টি ভেবে দেখছেন তিনি।

‘এটা আমরা বিবেচনা করছি,’ মেক্সিকো ও কানাডার নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের এমনটাই বলেছেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে তিনি এ মন্তব্য করলেন।

বাইডেন কূটনৈতিক বয়কটের সিদ্ধান্ত নিলে বেইজিং অলিম্পিকসে কোনো মার্কিন কর্মকর্তাকে দেখা যাবে না বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর গত সপ্তাহের সোমবারই বাইডেন প্রথম চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছেন।

তবে তাদের ওই তিন ঘণ্টার ভার্চুয়াল বৈঠকে আসন্ন অলিম্পিক গেইমস নিয়ে কোনো কথা হয়নি বলে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বাইডেনের মুখপাত্র জেন সাকি।

চীনের মানবাধিকার লংঘনের প্রতিবাদ জানাতে বেইজিং অলিম্পিকে মার্কিন কূটনৈতিক বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা বেশ কিছুদিন ধরেই বাইডেনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

কূটনৈতিক বয়কট অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি না করলেও সাকি বলেছেন, ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া অলিম্পিকসে ‘যু্ক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি কেমন হবে’  তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

চীন উইঘুরদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র; মুসলিম এ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগ সদস্যই স্বায়ত্তশাসিত শিনজিয়াংয়ে বসবাস করে।

হংকংয়ের রাজনৈতিক স্বাধীনতা দমনে বেইজিংয়ের পদক্ষেপ তাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের উত্তেজনা বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাইওয়ান নিয়েও দুইপক্ষের মধ্যে ব্যাপক টানাপড়েন চলছে।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বেইজিং অলিম্পিকস বয়কটের পক্ষে মত দিয়েছেন। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যে নেতারা সেখানে যাবেন তারা ‘নৈতিক কর্তৃত্ব’ হারাবেন।

রিপাবলিকান সেনেটর টম কটন বৃহস্পতিবার বলেছেন, কূটনৈতিক বয়কট ‘গণহত্যার অলিম্পিকের’ ক্ষেত্রে ‘খুবই সামান্য প্রতিক্রিয়া, অনেক দেরিও হয়ে গেছে’। তিনি বেইজিং অলিম্পিক পুরোপুরি বয়কটের আহ্বান জানান।

x