মহানবমী আজ

475

ধর্ম ডেস্ক: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আজ (বৃহস্পতিবার) মহানবমী। রামায়ণ যুগের অবতার রামচন্দ্র লংকা অধিপতি রাবণ বধের পর নবমী তিথিতে ১০৮টি নীল পদ্ম দিয়ে দেবী দুর্গার পূজা করেছিলেন। তাই আজকের এই মহানবমীতে ষোড়শ উপাচারের সঙ্গে ১০৮টি নীলপদ্মে দুর্গা পূজিত হবেন।

ধর্মের গ্লানি ও অধর্ম রোধ, সাধুদের রক্ষা, অসুর বধ এবং ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতি বছর দুর্গতি নাশিনী দেবী দুর্গা ভক্তদের মধ্যে আবির্ভূত হন। একটি মাত্র রাত পড়ে মা দুর্গা আবার ফিরে যাবেন।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) প্রতিমা বিসর্জন। এ দিন বিকেলে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে বিজয়ার শোভাযাত্রা বের করা হবে। এই শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হবে বাঙালির পরম কাঙ্ক্ষিত শারোদোৎসব।

এদিকে বুধবার ভক্তি আর শ্রদ্ধায় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে আরতি, অঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো কুমারী পূজা। এদিন অষ্টমীর বিশেষ আকর্ষণ ছিল কুমারী পূজা। দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে কুমারী কন্যাকে মাতৃরূপে অঞ্জলি দেয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা, যার নাম কুমারী পূজা। সাধারণত ১৬ বছরের কম বয়সী কন্যা শিশুদের মধ্য থেকে ‘দেবীত্বের লণ বিচার করে’ কুমারী নির্বাচন করেন পুরোহিতরা।

বুধবার রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে বেলা ১১টায় কুমারী পূজা শুরু হয়। এর আগে কুমারী কন্যাকে স্নান করিয়ে নতুন পোশাক, ফুলের মালা ও অলঙ্কারে সাজানো হয়। কুমারী পূজার ১৬টি উপকরণ দিয়ে শুরু হয় পূজার আচার।

এরপর অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বায়ু এই পাঁচ উপকরণে দেয়া হয় ‘কুমারী মায়ের’ পূজা। অর্ঘ্য নিবেদনের পর দেবীর গলায় পরানো হয় পুষ্পমাল্য। পূজা শেষে প্রধান পূজারি আরতি দেন এবং তাকে প্রণাম করেন।

x