মাথাটা ঠান্ডা রেখে রাস্তায় চলাচল করুন

0 233

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বিশ্বজুড়েই সড়ক দুর্ঘটনা মহামারি আকার ধারণ করেছে। এরইমধ্যে সম্প্রতি ‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে’ বাংলাদেশেও আন্দোলন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তবে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বরাবরই সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা নানা অজুহাত দিয়ে যাচ্ছেন। দুর্ঘটনার দায়ও অনেক ক্ষেত্রে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে যাত্রী কিংবা পথচারীদের ঘাড়ে। এ নিয়ে গণসচেতনতা তৈরির কথা বলা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান তেমন কোনও পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

কিন্তু জীবনটা তো আপনার। আপনার জীবনের নিরাপত্তা অন্যের ওপর ছেড়ে দেয়া মোটেই ঠিক নয়। ফলে চলতে-ফিরতে নিজেকেই হতে হবে আরও বেশি সাবধানী, সতর্ক ও স্থির।

বিশেষত, ঘর থেকে রাস্তায় নামার পর চলাচলের ক্ষেত্রে শত ব্যস্ততার মাঝেও মাথাটা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ সংক্রান্ত বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে। ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি এর পাঠকের জন্য এসব টিপসগুলো তুলে ধরা হলো:

১. একা গাড়ি চালাবেন না: মাথা গরম করে গাড়ি চালাতে গিয়ে অনেক সময়েই মানুষ দুর্ঘটনায় পড়ে। কিন্তু এই দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমে যায় যখন ওই গাড়িতে চালকের সাথে একজন আরোহী থাকে। পাশে আরেকজন মানুষ থাকলে চালক বেশি সতর্ক থাকেন, অযথা ঝুঁকি নেন না, রাস্তায় চোখ রাখার জন্য আরেকজন মানুষ পাওয়া যায়।

২. হালকা গান শুনুন: গাড়ি চালানোর সময়ে যারা রক, হিপ-হপ বা হেভি মেটাল সংগীত শোনেন, তাদের দুর্ঘটনায় পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। অন্যদিকে যারা ক্লাসিক্যাল বা পপ সংগীত শোনেন, তারা গাড়ি চালানোর সময়ে মাথা বেশি ঠান্ডা রাখতে পারেন। এমনকি জ্যামের সময়েও বিরক্তি কমানোর জন্য এই সংগীত উপকারী।

৩. মনোযোগ দিন: গাড়ি চালানোর সময়ে স্ট্রেস কমাতে তো আর মেডিটেশন করা যাবে না। তবে আপনি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে পারেন। নিজের প্রতিটি নিঃশ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন, আশেপাশের পরিবেশের দিকে লক্ষ্য রাখুন। অবশ্যই গাড়ি চালানোর দিকে নজর দিন।

৪. পডকাস্ট শুনুন: ইন্টারনেটে বিভিন্ন পডকাস্ট শোনার মাধ্যমে আপনি নতুন ভাষা শিখতে পারেন বা খবর জানতে পারেন জ্যামের মাঝে বসে থেকেও। এছাড়া বিভিন্ন বইয়ের অডিওবুক পাওয়া যায় যা আপনি শুনতে পারেন গাড়ি চালানোর সময়ে।

৫. এক লাইনে থাকুন: অনেকেই দ্রুত যাওয়ার জন্য বারবার গাড়ির লাইন পাল্টাতে থাকেন। এতে মোটেই আপনি দ্রুত যেতে পারবেন না, বরং লাইন পাল্টানোর চিন্তায় আপনি আরও অস্থির হয়ে যাবেন। তাই এক লাইনেই থাকুন।

৭. আরামদায়ক জুতো পরুন: আপনি জানেন, আজ লম্বা সময় জ্যামে বসে থাকতে হবে বা অনেক দূর যেতে হবে, তাহলে এক জোড়া আরামদায়ক জুতো পরে নিন, অফিসের সাধারণ চকচকে জুতো বা হিল নয় কিন্তু।

৮. এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করুন: গবেষণায় দেখা গেছে, ল্যাভেন্ডারের সুগন্ধ দুশ্চিন্তা এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে। তাই জ্যামের মাঝেও আপনার মাথা ঠান্ডা রাখতে এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করুন।

বিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x