মায়ানমার ছায়া সরকার ইউনিটি বন্ডের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করছে

১৩৫

সম্প্রতি এক বিলিয়ন ডলারের একটি ঐক্য বিনিয়োগ বন্ড চালু করেছে মাায়ানমারের ছায়া সরকার (এনইউজি)। সামরিক কর্মীদের পাশাপাশি পুলিশ অফিসারদের সামাজিক ও মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য কমপক্ষে ৮০০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে তারা এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। সংবাদ সূত্র: A24 News Agency

স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, সামাজিক কল্যাণসহ বিভিন্ন খাতে লত্যাগী সামরিক কর্মী ও পুলিশ অফিসাররে এ সহায়তা দেয়া হবে। এর আগে সরকার লটারির টিকিট বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করেছিল। তবে এখন তারা বিপনন প্রকল্প তহবিল গঠন করে অর্থ সংগ্রহের জন্য ইউনিটি বন্ড বিক্রি করছে।

মিয়ানমার ছাত্র ইউনিয়নের নেতা মিন খান্ট লিন, বলেন, ”সরকার মিয়ানমারের জনগনের কাছ থেকে টাকা ধার নিচ্ছে, যেটা পরিবর্তনের জন্য রকার ছিলো। তারা আমারে কাছ থেকে টাকা ধার নিচ্ছে, আমার মনে হয় এভাবেই এনইউজি বন্ড কাজ করে। এটা মূলত সরকারের একটা চুক্তি, যেটা পরে আমরা তাদের কাছ থেকে দাবি করতে পারবো। তবে আমারে সতর্ক থাকতে হবে লেনদেন করার সময়। টাকা সংগ্রহের জন্য ওয়েবসাইটে লেনদেনের যে প্রক্রিয়া আছে তা যথেষ্ট স্থিতিশীল নয়।

এছাড়াও লেনদেনের ফি হরহামেশাই কাটা হচ্ছে। বন্ড কিনতে আমাদের এ সমস্যাগুলো হচ্ছে।” সরকার এ প্রকল্পে প্রথম ব্যাচের জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার বন্ড ইস্যু করে শুরু করেছিল এবং প্রথম চব্বিশ ঘন্টায় ৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি লেনদেন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মিন খান্ট লিন আরো বলেছেন, ”আমরা এখনও নিশ্চিত নই, কীভাবে তারা টাকাগুলো খরচ করবে।

তবে আমরা সরকারকে বিশ্বাস করি, তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ও সবার প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই টাকগুলো খরচ করবে, বিশেষ করে অভাবী ও সংখ্যালঘু নৃ- তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠির কথা খেয়াল রাখতে হবে। এনইউজি সরকারই এখন আইনত সরকার, তারা বন্ড বিক্রি করছে। পূর্বেও এ ধরনের কাজ করার ইতিহাস আছে।

তারা বলেছে তারা ১ বিলিয়ন ডলারের বন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছে। এ টাকা পরে সরকার গঠন ও সামাজিক এবং মানবিক কল্যাণে খরচ করা হবে। যদিও বন্ডটি কিনতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কিন্তু এ টাকা পরে আমাদের প্রয়োজন হবে, বিশেষ করে এ সরকার নতুন নির্বাচনের জন্য তাদের অর্থ প্রয়োজন। ”

ছাত্র এ নেতার মতে, মিয়ানমারে বন্ড বিক্রি মানবিক সহায়তা এবং উন্নয়ন ব্যবস্থার মতো জরুরি বিষয়গুলির প্রয়োজন মেটাতে চালু করা হয়েছে যা তাদরে প্রতিবাদ ধর্মঘট প্রশমনে অবদান রাখবে। এ ধরনের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির জন্য তারা প্রতিবাদ ধর্মঘট তুলে নেবেন বলেও জানান তিনি।

Comments are closed.