মেলবোর্ন টেস্টের প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়ার দাপট

১৯৯
অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট। ছবি : সংগৃহীত

অ্যাশেজের প্রথম দুই টেস্টে সহজেই জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। মেলবোর্নে তৃতীয় টেস্টেও দাপট দেখাচ্ছে প্যাট কামিন্সের দল। দাপুটে বোলিংয়ে বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম ইনিংসে অল্পতেই ইংল্যান্ডকে থামিয়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বিপরীতে ব্যাটিংয়ে নেমেও রানের চাকা সচল রেখেছে। দুই বিভাগের দাপটে মেলবোর্ন টেস্টের প্রথম দিন রাঙাল স্বাগতিকরা।

আজ রোববার প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে অসি বোলারদের তোপের মুখে মাত্র ১৮৫ রানে গুটিয়ে নিয়েছে ইংল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেছেন ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট। ৮২ বলে তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি বাউন্ডারি।

শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে এক উইকেটে ৬১ রানে দিন শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া। দিন শেষে উইকেটে ছিলেন মার্কাস হ্যারিস (২০) ও নাথান লায়ন (০)। ১২৪ রানে পিছিয়ে থেকে আগামীকাল দ্বিতীয় দিন শুরু করবে প্যাট কামিন্সের দল।

মেলবোর্নে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে স্কোরবোর্ডে ১২৮ রান তুলতে ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা।

ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৩ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ওপেনার হাসিব হামিদ। প্যাট কামিন্সের দারুণ এক ডেলিভারি মোকাবিলা করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন হামিদ। রানের খাতাও খুলতে পারেননি তিনি। এরপর বিদায় নেন জ্যাক ক্রলি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৫ বলে ১২ রান।

মাঝে জো রুটের সঙ্গে কিছুটা প্রতিরোধের আভাস দেন ডেভিড মালান। সেটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দলীয় ৬১ রানে ভাঙে ওই জুটি। মালানকে ১৪ রানে বিদায় করে ওই জুটি ভাঙেন প্যাট কামিন্স।

এরপরও টিকে ছিলেন জো রুট। হাফসেঞ্চুরির পর তাঁর প্রতিরোধ ভাঙেন মিচেল স্টার্ক। ৮২ বলে ৫০ করে ফিরেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। এরপর একে একে ফিরেছেন বেন স্টোক-জস বাটলারও। দ্রুত ছয় উইকেট হারানোর পর বেশিদূর যেতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত থেমে যায় ১৮৫ রানে।

অসিদের হয়ে বল হাতে সমান তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন কামিন্স ও লায়ন। দুটি উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। স্কট ও ক্যামেরন নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস : ১৬৫.১ ওভারে ১৮৫ (রুট ৫০, বেয়ারস্টো ৩৫, স্টোকস ২৫ ; কামিন্স ৩৬/৩, লায়ন ৩৬/৩)।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ১৬ ওভারে ৬১/১ (মার্কাস ২২, ওয়ার্নার ৩৩ ; অ্যান্ডারসন ১৪/১)।

Comments are closed.