রাণীনগররে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া রিং কালভার্ট মেরামত না করায় ভোগান্তি

0 66

রাণীনগর-নওগাঁ, প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া ঝিনা-লোহাচুড়া রাস্তার কচুয়ার ডারা নামক স্থানের ছোট রিং কালভার্টটি মেরামত না করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে কয়েকটি গ্রামের কয়েক শত মানুষ। এই ভাঙ্গা রিং কালভার্ট দিয়েই প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ওই এলাকার গ্রামীণ মানুষদের। কিন্তু মেরামত করার কোন পদক্ষেপ নেই কর্তৃপক্ষের।

জানা গেছে, উপজেলার বড়গাছা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ রাস্তাগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। দীর্ঘদিন এই রাস্তা, কালভার্টগুলো সংস্কার না করায় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ঝিনা বাজার থেকে লোহাচুড়া যাওয়ার একমাত্র উপায় ঝিনা রাস্তাটি। কচুয়া, লোহাচুড়া, ঝিনাসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েকশত মানুষের চলাচলের একমাত্র পথ এটি। প্রায় দুই মাস আগে বন্যায় ভেঙ্গে যায় এই রাস্তার কচুয়ার ডারা নামক স্থানের ছোট রিং কালভার্টটি। ভেঙ্গে যাওয়া এই কালভার্টটির উপর দিয়ে বর্তমানে সাইকেল, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য ছোট-খাটো যানবাহন চলাচল করছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এতে করে প্রত্যন্ত এই অ লের মানুষরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। এছাড়াও এই রাস্তার মাঝে মাঝে ইট উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় তা চলাচলের খুবই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইন্টু হোসেন, শাহ আলম, মর্জিনা বেগমসহ আরো অনেকেই বলেন, প্রায় দুই মাস হলো বন্যায় ছোট্ট এই রিং কালভার্টটি ভেঙ্গে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে কারো দৃষ্টি নেই। আমরা প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি এর উপর দিয়ে। এটিই আমাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা। এই রিং কালভার্টটি দ্রুত সস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলার বড়গাছা ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম শফু বলেন, আমি এই ভেঙ্গে যাওয়া রিং কালভার্ট ও রাস্তার বেহাল দশার কথা উপজেলা প্রশাসন ও প্রকৌশলী দপ্তরকে জানিয়েছি কিন্তু এখনো কোন বরাদ্দ পাওয়া যায় নাই। বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু করবো।

এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা প্রকৌশলী শাইদুর রহমান মিঞা’র মন্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে ফোন করলে ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x