রাষ্ট্রপতিকে বিএনপির ধন্যবাদ

0 615

bnp-pngবিডি সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম : নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য বঙ্গভবন থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ডাক পায়নি বিএনপি। তবে গণমাধ্যম থেকে এরই মধ্যে তারা জেনে গেছে প্রত্যাশিত এই সিদ্ধান্তের কথা। আর এই সংলাপের উদ্যোগ নেয়ায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের প্রতি কৃতজ্ঞ বিএনপি।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

আগামী ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যে কমিশন দায়িত্ব নেবে, তারাই আগামী জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন। তাই এই কমিশনে কারা আসবে সে বিষয়ে বিএনপির বিশেষ আগ্রহ আছে। আর এই নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যাতে বলা হয়েছে রাষ্ট্রপতি নিবন্ধিত অথবা স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সবগুলোর দলের সঙ্গে আলোচনা করে ঐক্যমতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

গত ৩ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ১৩ দফা প্রস্তাব বঙ্গভবনে পৌছে দেয় বিএনপি। এর এক সপ্তাহ পরই আলোচনার জন্য দলগুলোকে ডাকার সিদ্ধান্ত নেয় বঙ্গভবন।

বঙ্গভবনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানাই।’

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি যে আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন, তাতে প্রথমেই ডাকা হচ্ছে বিএনপিকে। ১৮ ডিসেম্বর ডাকা হচ্ছে দলটিকে। তিন দিন পর জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকেও আলোচনায় ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গভবন।

২০১২ সালেও নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। তখনও বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি। তবে বিএনপি তখন রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগের বিষয়ে কোনো নাম প্রস্তাব করেনি।

রাষ্ট্রপতির এই আলোচনা পাঁচ বছর আগের ধাঁচেই হবে না কি খালেদা জিয়ার ১৩ দফা অনুসারে হবে-সে বিষয়ে অবশ্য কোনো তথ্য আসেনি বঙ্গভবন থেকে। তারপরও আলোচনার প্রস্তাবে আপ্লুত বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিয়েছিলাম। তিনি তাতে রেসপন্স করায় আমরা ধন্যবাদ জানাই। আশা করি আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি সে আলোকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা হবে। এবং সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা এখনও আমন্ত্রণ পাইনি। তবে পেয়ে যাবো।’ এই আলোচনায় কী আশা করছেন- জানতে চাইলে এই নেতা বলেন, ‘আমরা তো আশাবাদী হয়েই তাকে (রাষ্ট্রপতি) চিঠি দিয়েছিলাম। এখন আলোচনা শুরু করুক, দেখি তিনি কী বলেন।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘অবশ্যই আমরা আশা করি ভালো কিছু হবে।’

লেটেস্টবিডিনিউজ.কম

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x