রৌমারী’র যাদুরচর সীমান্ত এলাকায় দেশ স্বাধীনের ৫০ বছরেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি

৫০ হাজার মানুষের দূর্ভোগ চরমে

0 44
মাজহারুল ইসলাম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:  কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলাধীন, যাদুর চর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তি গ্রাম লাঠিয়াল ডাঙ্গা। চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা, বংশিরভিটা, বাগানবাড়ি, দক্ষিণ আলগারচর, উত্তর আলগারচর, খেয়ারচর, বকবান্দা, ঝাইবাড়ী, বড়াইবাড়ি, চুলিয়ারচরসহ ১০টি গ্রামের ভিতর দিয়ে ৭ কিলোমিটার পায়ে হাটা গ্রামীণ সড়ক রয়েছে। যে সড়কটি নামে মাত্র। গ্রামীণ সড়কটি ওই সীমান্তবর্তি মানুষের পায়ের চিহ্ন সড়কের পরিচয় বহন করে।

 

খালপাগার, ডোবানালা, খানাখন্দে পরিপুর্ণ গ্রামীন মেঠো পথটি। কখনোই ওই সীমান্তের অবহেলিত মানুষদের দুঃখ দূর্দশার খোজ খবর নেয়নি কেই। ভোটের সময় রাজনৈতিক নেতারা এলাকার উন্নয়নের প্রশ্রিুতির ফুল ঝুড়ির অগ্নি ঝরা বক্তব্য দিয়ে মিথ্যা আশ্বাসে ভোট নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে। উন্নয়ণ হয়নি।

ওই অ লের ১০ গ্রামের মানুষ সরকারী রিলিফ চায়না। তাদের প্রাণের দাবী যানবাহন চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করা হউক। এঅ লের মানুষের প্রধান পেষা কৃষি। সারাবছর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সোনার ফসল ফলান, কিন্ত বাজার জাত করতে বোঝা মাথায়, কাধে করে , বর্ষা মৌসুমে কলাগাছের ভেলায় বা ডিঙ্গি নৌকায় ২০ কিলোমিটার দুরে রৌমারী , কর্ত্তিমারী, ও পাশে^র উপজেলা রাজিরপুর বাজারে কৃষিপর্ণ বেচাকেনার জন্য যেতে হয়। এবিষয় আলগারচর গ্রামের আলহাজ¦ আব্বাস আলী, আলহাজ¦ হাসেন আলী, চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা আব্দুস ছাত্তার দেওয়ানীসহ আরো অনেক ভুক্তভোগীদের অভিযোগের শেষ নেই। তারা বলেন জীবনের শেষ সময় এসেও চলাফেরার রাস্তা পাইলামনা। মনে হয় আমরা এদেশের বাসিন্দা না,যদি তাই না হয় কেন সরকার আমাদের দিকে দেখেননা।

একেতো মৌসমের সময় কৃষি পর্ণ্যরে দাম কম, তাতে বাজারের দূরুত্ব বেশী হওয়ায় মনপ্রতি অতিরিক্ত ৫০ টাকা শ্রমিক বা গাড়ি ভাড়া দিতে হয়। যারফলে ওই অ লের কৃষক আধমরা হয়ে পড়েছে। অপরদিকে সীমান্তবর্তি সড়কটি না থাকায় আইন শৃংখোলা বাহিনী বিজিবি, পুলিশ, সহসায় সীমান্তে যেতে পারেনা ।

যার কারণে সীমান্ত এলাকাটি মাদকের স্বর্গ রাজ্যে পরিনত হয়েছে। এব্যাপারে যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান শরবেশ আলী বলেন, রৌমারী উপজেলার মধ্যে আমার এই অ লটি চরমভাবে অবহেলিত। ইউপির বরাদ্দ দিয়ে এতবড় রাস্তা নিমার্ণের বাজেট সম্ভব নয়। তিনি রাস্তাটি নির্মাণে গণ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রি জাকির হোসেনের  সহায়তা কামনা করেন।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, আমি ওই এলাকাটি ঘুরে দেখেছি । এখানকার মানুষ যোগাযোগ সড়কের অভাবে চরম ভোগান্তি ভোগ করছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সমন্বয় সভায় তুলে ধরা হবে। রৌমারী উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লা বলেন, এখানে সীমান্তবর্তি ১০ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সড়কটি জরুরী ভাবে মন্ত্রির সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা হবে।

 

এবিষয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রি জাকির হোসেন বলেন, আমি অ লটি ঘুরে দেখেছি। এলাকার মানুষ তথা আইন শৃংখোলা বাহিনীর জন্য সড়ক যোগাযোগ পথটি সুগম করার জন্য দূত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.