শেরপুর পৌরসভায় এডিশ মশা নিধনের বরাদ্দের সাড়ে ৯ লাখ টাকা কোথায়?

0 37

শেরপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি : ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিশ মশার আবাসস্থল ধ্বংস ও মশক নিধনের জন্য বগুড়ার শেরপুর পৌরসভায় সরকার সাড়ে নয় লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়। মশক নিধনে ঔষধ না ছিটিয়ে লোক দেখানো ড্রেনেজ পরিস্কারের নামে মশক নিধনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ।
জানা যায়, রাজধানী সহ সারা দেশে ব্যাপক হারে ওষুধ ছিটানো এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে শেরপুর পৌরসভায় বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে মশক নিধনের কোন ঔষধ না ছিটিয়ে লোক দেখানো ড্রেনেজ পরিস্কার করা হয় ওই টাকা দিয়ে। এখানেই প্রশ্ন? পৌরকর্তৃপক্ষের দিকে। কোথায় টাকা? কি তার অবস্থা? প্রশ্ন গুলো ঘুর পাক খাচ্ছে এখন পৌর এলাকার চা দোকান থেকে শুরু করে সচেতন মহলে। টক অফ দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম। কিন্তু এসব বিষয় অনেকটাই এড়িয়ে চলছেন পৌর মেয়র আলহাজ¦ আব্দুস সাত্তার। মেয়রের অবহেলায় অনেকটাই চিন্তিত পৌর নাগরিকগন। পৌর এলাকায় কিছু লেবার দিয়ে ড্রেন পরিস্কার করে দায় মুক্ত থাকতে চায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলে মনে করছে অনেকেই। সারাদেশে যখন ডেঙ্গুর প্রভাবে অনেকটাই হিমশিম অবস্থা তখন পৌর কর্তৃপক্ষ সেখানে অনেকটাই নিরব ভুমিকা পালন করছেন। যেন কিছুই তাদের চোখে পড়ে না। পৌর কর্তৃপক্ষ এডিস মশা নিধনে শেরপুর পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঔষধ ছিটানোর কথা বললেও ওয়ার্ডবাসি বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলছে একবার আমাদের ওয়ার্ডগুলোতে ঔষধ ছিটানো হয়েছে। তাও শুনেছি বগুড়া জেলা পুলিশের আয়োজনে। তাহলে কী সত্যই এই টাকা আত্মসাত হয়েছে। এমন প্রশ্ন ঘুর পাক খাচ্ছে সুধিমহলে। অন্যদিকে পৌর কর্তৃপক্ষের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হয়ে এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, মশক নিধনের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছে, তবে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাকি মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে মশক নিধনের কাজা জটিল হলেও আমাদের কি করার আছে।
এ প্রসঙ্গে পৌরসভার হিসাব রক্ষক রেজাউল করিমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, গত আগস্টের ৯ তারিখে ডেঙ্গু নিধনের জন্য ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায় শেরপুর পৌরসভা। ৪ লক্ষ টাকা ড্রেন পরিস্কার করার জন্য খরচ হয়েছে। আর বাদবাকি টাকা ট্রেন্ডার হবে বলে শুনেছি। তবে মশক নিধনের বাজেট বা কার্যক্রম নিয়ে মোবাইল ফোনে তথ্য দিতে নারাজ পৌরসভার সচিব ইমরুস মুজিব।
এ বিষয়ে শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ¦ আব্দুস সাত্তার বলেন, নিয়ম মত কাজ করা হচ্ছে। ড্রেন পরিষ্কারের জন্য লেবার কাজ শুরু করছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.