‘সঠিক’ পদ্ধতিতে শ্বাস-প্রশ্বাস নিলেই মরবে করোনা ভাইরাস!

0 46

স্বাস্থ্য ডেস্ক: নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে হাজার বাঁধা নিষেধের তালিকা। ইন্টারনেটের জগতে পা দিলেই পাওয়ায় যাবে এই সব নির্দেশিকার বাড়বাড়ন্ত। উদ্দেশ্য একটাই— এই মারণ ভাইরাসের হাত থেকে মানুষকে নিরাপদে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

সম্প্রতি দ্য কনভারসেশনে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী করোনার থেকে বাঁচতে বদল আনতে হবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যেসে। নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে মুখ খুলে শ্বাস ছাড়লে তা উপকারী প্রমাণ হতে পারে বলেই দাবি করা হয়েছে এই রিপোর্টে।

১৯৯৮ সালে মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত লুই জে ইগনারো তার এই গবেষণা পত্রে লিখেছেন এই ধরনের শ্বাস নেওয়া ধরন খুবই উপকারী কারণ অনুনাসিক গহ্বরে তৈরি হয় নাইট্রিক অক্সাইড। এই মলিকিউল ফুসফুসের মাধ্যমে রক্ত চলাচলের গতি বাড়ায় এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। যখনই কেউ নাক দিয়ে শ্বাস নেন, তখনই নাইট্রিক অক্সাইড ফুসফুসে পৌঁছে যায়।

এরফলে ফুসফুসে করোনা ভাইরাসের বাসা বাঁধতে পারে না। একই সঙ্গে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেশি থাকলে মানুষের মধ্যে চনমনে ভাব দেখা যায়। মানব দেহ ক্রমাগত নাইট্রিক অক্সাইড উত্‍পাদন করে যার থেকে ধমনী এবং শিরা মধ্যে তৈরি হয় এন্ডোথেলিয়াম। বিশেষ করে ফুসফুসের মধ্যে। একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বাড়ে রক্ত চলাচল। এছাড়াও ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধাও আটকায় নাইট্রিক অক্সাইড।

সাধারণত, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি বা কাশির ফলে বাতাসে ভাইরাস ছড়িয়ে যায়। ড্রপলেট বাতাসের কণার সঙ্গে মিশে যায়। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে শ্বাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস অন্য ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করবে। তাই বার বার হু-এর তরফে সতর্ক করে বলা হচ্ছে দু’জন ব্যক্তির মধ্যে ৩ থেকে ৬ ফুটের দূরত্ব বজায় রাখতে এবং মুখ মাস্কে ঢেকে রাখতে। একই সঙ্গে যাঁরা অসুস্থ, তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলারই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ব্রেকিংনিউজ/

Leave A Reply

Your email address will not be published.