সন্তান বাইরের খাবারে অভ্যস্ত হচ্ছে নাতো?

0 144

লাইফস্টাইল ডেস্ক: শিশুদের খাবার বাছাইয়ের সময় মাথায় রাখতে হবে এই খাবারের উপরেই নির্ভর করবে শিশুর স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি। শিশু বয়সে সন্তানের স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগী না হলে ভবিষ্যতে শিশুরা অনেক সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ব্যস্ত সময়সূচিতে বাবা-মায়ের পক্ষে অনেক সময় সন্তানের স্বাস্থ্যের প্রতি কড়া নজর রাখা সম্ভব হয় না। সেই কারণেই খেয়াল রাখতে হবে সন্তান ছোট্ট বয়স থেকে বাইরের খাবার, প্যাকেটজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে কিনা।

পুষ্টিবিদরা শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর, সহজ এবং পুষ্টিকর রাতের খাবারের পরামর্শ দেন। রাতে আপনার সন্তানকে ডাল এবং ভাত, খিচুড়ি, রুটি এবং সবজি খাওয়ানোই সবথেকে ভালো। এই খাবারগুলি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং বাড়ন্ত বয়সে প্রয়োজনীয়। প্রায় সবরকম পুষ্টিই পাবেন এই খাবারে।

পুষ্টিবিদরা বলেন, বাবা মায়ের কখনোই তাদের সন্তানদের জিজ্ঞাসা করা উচিৎ নয় যে, তারা রাতে কী খাবে। এর পরিবর্তে তাদের বলা যেতে পারে যে আজ রাতের খাবারে এই এই রান্না হয়েছে।

রাতের খাবার কেমন হওয়া উচিৎ:

রাতের খাবারে রাখা যেতে পারে, রুটি, সবজি, ডাল ভাত, খিচুড়ির মতো খাবার। আমাদের সন্তানদের ক্রমবর্ধমান শারীরিক বিকাশ এবং মস্তিষ্কের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এই খাবারগুলি।

রাতের খাবারে যা দেবেন না:

১. বৈচিত্র্য: প্রতিদিন আপনার বাচ্চাদের নানা রকমের খাবার দেবেন না।

২. প্যাকেটজাত খাবার: নুডুলস এবং পাস্তা এবং হিমায়িত খাবার বাচ্চাদের দেওয়া বন্ধ করুন। এই জাতীয় খাবারে কোনও পুষ্টি হয় না বরং এই খাবার অস্বাস্থ্যকর।

৩. হোটেল থেকে আনা খাবার: শিশুদের জন্য বাড়িতে রান্না করা পুষ্টিকর খাবারই সর্বোত্তম। আপনার সন্তানদের বাইরের খাবারে অভ্যস্ত করবেন না।

৪. বাইরে খাওয়া: মাসে দুবারের বেশি বাবা মায়েরা বাচ্চাদের বাইরে হোটেলে খেতে নিয়ে যাবেন না। বাইরের খাবারে শিশুদের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় না।

৫. সপ্তাহে একবার মেনুতে বদল: সপ্তাহে একবার আপনার সন্তানের জন্য রাতের খাবারে অন্যরকম কিছু বানান।সূত্র: ‌ব্রে‌কিং‌নিউজ/

Leave A Reply

Your email address will not be published.