হাজারটা পদ্মা সেতু করলেও সরকার জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে না : ফখরুল

44
বিএনপি মহাসচিব ফখরুল। ছবি সংগৃহীত

হাজারটা পদ্মা সেতু করলেও বর্তমান সরকার জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন।

‘দেশের জনগণ আমাদের পাশে থেকে বারবার ভোট দিচ্ছে। আমাদের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আছে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র এ বক্তব্যের জবাবে ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন দিয়ে দেখুক না উনাদের প্রতি কতটুকু আস্থা আছে। জনগণের রাজনৈতিক মুক্তি যদি না হয়, জনগণ যদি গণতন্ত্রকে না পায়, গণতন্ত্র যদি না থাকে, তার অধিকার যদি না থাকে, তার ভোটাধিকার যদি না থাকে সেখানে হাজারটা পদ্মা সেতু করেও কোনো লাভ হবে না।

তিনি বলেন, আর ভোট দিচ্ছে কোথায়? মানুষ ভোট দিতে পারছে কোথায়? তাহলে তিনি কীভাবে বলেন যে জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি তো কাগজে-কলমে সিল মেরে আগের রাতে ভোট দিচ্ছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এটা নির্ভর করবে নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হবে কি না, তার ওপর। যদি নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হয় তাহলে আমাদের অংশগ্রহণ অবশ্যই দৃশ্যমান হবে।আর যদি না হয় হবে না।আমরা খুব স্পষ্ট করে বলেছি বাংলাদেশে যদি একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হয় এখানে অবশ্যই একটা নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার থাকতে হবে। তা নাহলে এখানে কোনো মতেই আপনার যদি একেবারে স্বর্গ থেকে নির্বাচন কমিশনার নিয়ে আসেন তাহলেও সেটাকে সুষ্ঠু করতে পারবেন না-ইমপোসেবল।

গত ২৫ জুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে টানা ৮দিনে উত্তরার বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নেন মির্জা ফখরুল। রোববার করোনামুক্ত হওয়ার পর মঙ্গলবারই গুলশানের কার্যালয় এসে বিএনপি মহাসচিব প্রথম সংবাদ সম্মেলনে আসেন। এতে সোমবার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহ তুলে ধরেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘সরকার বন্যা কবলিত এলাকায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে। বানভাসি মানুষের মাঝে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছাতে পারেনি। বিশেষ করে বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনে সরকারের কর্মকাণ্ড দৃশ্যমান নয়। অবিলম্বে দুর্গত মানুষের মাঝে খাদ্য, বস্ত্র, গৃহ নির্মাণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থার জোর দাবি জানানো হয় স্থায়ী কমিটির সভায়।

x