একসঙ্গে ৩ সন্তানের পিতা হলেন আনসারের হিসাবরক্ষক গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা

৩১৬
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দেয় কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি’র হিসাবরক্ষক গোলাম মোস্তফা রাঙ্গার স্ত্রী রুজিনা খাতুন। তাদের মধ্যে একটি মেয়ে ও দুইটি ছেলে। মা ও সন্তানেরা সুস্থ আছে। ০৬ এপ্রিল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় রংপুরের প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয় তিন ভাই।
গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা জানান, ২০১৩ সালে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নাধীন মীরেরবাড়ী গ্রামের বাঙ্গালপাড়ার ইয়াকুব আলী খন্দকারের মেয়ে রুজিনা খাতুনকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন তিনি। স্ত্রীর হরমোনজনিত কারণসহ নানান ধরণের গাইনি সমস্যা দেখা দেওয়ায় পাঁচ বছর পর্যন্ত বাচ্চা না হওয়ায় প্রাইম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি এন্ড অবস্ বিশেষজ্ঞ সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার সোনালী রানী মুস্তফীর পরামর্শ গ্রহণ করি। ফলে আল্লাহর রহমতে পাঁচ বছর পর একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করে।
আবার ৪ বছর পরে তারা আরো সন্তানের জন্য পরিকল্পনা করেন। আবারো একই সমস্যা দেখা দেওয়ায় পুনরায় একই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করায় আল্লাহ রহমতে গত বছরের আগস্টে রুজিনা অন্তঃসত্ত¡া হন। ডাক্তার সোনালী রানী মুস্তফীর পরামর্শে তিন মাস পর আল্ট্রাসনোগ্রাম করে জানা যায় রুজিনার গর্ভে তিনটি সন্তান। এতে রুজিনা ভীত হয়ে যান। ডাক্তারের পরামর্শে শান্ত হন। নিয়মিত কয়েকবার চেকআপ করে ২টি ছেলে সন্তানের কথা জানা গেলেও অন্যটি কথা সিজারের আগ অবধি জানা যায়নি। ০৬ এপ্রিল বুধবার দুপুরে সিজারের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দেন তিনি। বাচ্চাদের ওজন কম এবং দেড় মাস আগে সিজার করায় তাদের এনআইসিইউ এ রাখা হয়েছে।
চিকিৎসক সোনালী রানী মুস্তফীর বলেন, বুধবার দুপুরে রুজিনার সিজার করেছি। হরমোনজনিত কারণে প্রথম সন্তান হওয়ার আগেও আমিই চিকিৎসা করেছি। ২য় বার গর্ভবতী হওয়ার আগে এবং পরও তাকে আমিই দেখতাম। নিয়মিত পরীক্ষা নিরিক্ষা করিয়েছি। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সিজারে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দেন রুজিনা।
যেহেতু গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা আনসার বাহিনীর হিসাবরক্ষক এবং রুজিনা খাতুন ভিডিপি সদস্যা, তাই উক্ত দম্পত্তির খোজ-খবর নিতে আনসার ও ভিডিপি রংপুর রেঞ্জের পরিচালক মোঃ আব্দুস সামাদ, পিভিএমএস প্রাইম মেডিকেল কলেজে সশরীরে উপস্থিত হন এবং প্রসূতি ও বাচ্চাদের খোজ খবর নেন এবং ডাক্তারদের সাথে সাক্ষাত করে রুগী ও বাচ্চার খোজ খরব নেন।

Comments are closed.